Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মহত্যায় শোকাহত মমতা

আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মহত্যায় শোকাহত মমতা

‘আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যু আমাকে নাড়িয়ে দিয়েছে।’ একদা সতীর্থ, দলের সংগঠন কিংবা মন্ত্রিসভার প্রাক্তন সদস্য আত্মঘাতী তৃণমূল নেতা আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মহত্যার ঘটনায় এভাবেই শোক প্রকাশ করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে মমতা লেখেন, ‘তিনি তাঁর জীবনের অনেকটা সময় নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষকতা ও সমাজসেবায় অতিবাহিত করেছেন। সর্বদা তিনি তাঁর বিনম্র স্বভাব এবং রামপুরহাট ও বীরভূমের মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা নিবিড় সম্পর্কের জন্য পরিচিত ছিলেন। এই মর্মান্তিক ঘটনাটিকে আরও বেশি বেদনাদায়ক করে তুলেছে সেই তীব্র মানসিক ও আবেগজনিত চাপ। যা তাঁকে জীবনের শেষ দিনগুলিতে সহ্য করতে হয়েছিল বলে মনে হয়।’ তৃণমূল কংগ্রেসের জমানায় একাধিক মন্ত্রীত্ব সামলেছিলেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

রামপুরহাটের উন্নয়নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর উপরই ভার দিয়েছিলেন। এমনকী বীরভূমে তৃণমূলের সংগঠনেও গুরুদায়িত্ব ছিল আশিসের কাঁধেই। অনুব্রত তিহারা থাকাকালীন বীরভূমে দলের সংগঠন দেখার জন্য একটি কোর কমিটি তৈরি করেছিলেন মমতা। তাতেও ছিলেন প্রয়াত নেতা। মমতা আরও বলেন, ‘পাঁচবারের বিধায়ক, প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার এবং চেয়ারম্যান হিসেবে আশিস দা রামপুরহাটের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন।

 

জনগণের জন্য বহু গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করেছিলেন তিনি। অথচ, এত কাজ করা সত্ত্বেও তাঁকে বারবার অপবাদের শিকার হতে হয়েছে। মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং নিরন্তর চাপের মুখে ফেলা হয়েছে। দীর্ঘ জনসেবার নজির থাকা সত্ত্বেও তাঁকে যে হেনস্থা ও মানসিক চাপের সম্মুখীন হতে হয়েছিল, তা আমাদের সকলকে নিরন্তর রাজনৈতিক বিদ্বেষের মানবিক মূল্য বা পরিণতির বিষয়ে গভীরভাবে ভাবতে বাধ্য করে। তাঁর পরিবার, পরিজন, প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী এবং অগণিত অনুরাগীর প্রতি আমার আন্তরিক প্রার্থনা ও গভীর সমবেদনা রইল। তাঁর অনুপস্থিতি সর্বদা গভীরভাবে অনুভূত হবে।’

READ MORE.....