ছাইস্তূপ সরিয়ে ফের মাথা গোঁজার ঠাঁই পেতে চলেছেন নোনাডাঙার ঘরহারা মানুষগুলো। আনন্দপুরের নোনাডাঙা বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য নতুন করে ৫৩টি ঘর তৈরি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুরসভা। আগামী সপ্তাহ থেকেই এই পুনর্গঠনের কাজ শুরু হতে চলেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে কোমর বেঁধে নামছে প্রশাসন। বুধবার সন্ধ্যার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিমেষের মধ্যে ছারখার হয়ে গিয়েছিল আনন্দপুরের এই জনপদ।
বস্তির প্রায় ১০০টি ঘরের মধ্যে ৫০টিরও বেশি ঝুপড়ি আগুনের লেলিহান শিখায় পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়ে যায়। আগুনের গ্রাসে সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসেন বহু মানুষ। প্রাণহানির মতো ঘটনা না ঘটলেও এলাকায় প্রবল আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিপর্যয়ের খবর পেয়েই এলাকায় পৌঁছন রাজ্যের মন্ত্রী জাভেদ খান ও স্থানীয় কাউন্সিলর সুশান্তকুমার ঘোষ। তাঁদের তদারকিতেই আপদকালীন ভিত্তিতে শুরু হয় ত্রাণ বিলি। আপাতত ঘরহারা বাসিন্দাদের ঠাঁই হয়েছে চিনা মন্দিরের একটি কমিউনিটি হলে।
সেখানেই তাঁদের থাকা-খাওয়া ও প্রয়োজনীয় সামগ্রীর ব্যবস্থা করেছে পুরসভা। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেছেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। শর্ট সার্কিট নাকি অন্য কোনও কারণে এই বিপর্যয়, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রিপোর্ট এলেই আগুনের প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে। বরো চেয়ারম্যান সুশান্তকুমার ঘোষ জানিয়েছেন, সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই নতুন ঘর তৈরির কাজ শুরু হবে। ভিটে হারানো পরিবারগুলো যাতে দ্রুত নিজের ডেরায় ফিরতে পারেন, সেটাই এখন প্রশাসনের অগ্রাধিকার।















