Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

বেসরকারি হাসপাতালে ভেন্টিলেশন পরিষেবা নিয়ে এবার নজিরবিহীন কড়াকড়ি কেন্দ্রের

বেসরকারি হাসপাতালে ভেন্টিলেশন পরিষেবা নিয়ে এবার নজিরবিহীন কড়াকড়ি কেন্দ্রের

বেসরকারি হাসপাতালে ভেন্টিলেশন পরিষেবা নিয়ে এবার নজিরবিহীন কড়াকড়ি শুরু করল কেন্দ্র। বুধবার ডিরেক্টর জেনারেল অফ হেলথ সার্ভিসেস (ডিজিএইচএস) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, রোগীকে ভেন্টিলেশনে ঢোকানোর আগে তাঁর পরিবারকে খরচের খতিয়ান বিশদে জানাতে হবে। আইসিইউ এবং ভেন্টিলেটর ব্যবহারে স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা আনতেই এই সিদ্ধান্ত। অতিরিক্ত ডিজিএইচএস ডা. সুজাতা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ মেনেই এই নতুন গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে। এখন থেকে ভেন্টিলেশনে দেওয়ার আগে রোগীর পরিবারের লিখিত সম্মতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। কেন ভেন্টিলেশন প্রয়োজন এবং এর ফলে কী কী ঝুঁকি বা লাভের সম্ভাবনা রয়েছে, তা চিকিৎসকদের স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে বলতে হবে। এমনকি দীর্ঘ সময় ভেন্টিলেশনে থাকলে ‘ভ্যাপ’ বা নিউমোনিয়ার মতো যে সব বিপদ হতে পারে, তা-ও আগেভাগে জানাতে হবে। ইনভেসিভ এবং নন-ইনভেসিভ ভেন্টিলেশনের খরচের ফারাকও পরিষ্কার করতে হবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। যদি অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়, তবে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার ট্রায়াল পিরিয়ডে রেখে প্রতিদিন রোগীর মূল্যায়ন করতে হবে।

 

হাসপাতালের বিলিং নিয়ে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ মেটাতেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভেন্টিলেশনে ব্যবহৃত টিউব, ফিল্টার বা সার্কিটের জন্য আলাদা করে বিল দেখাতে হবে। প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতালের বিলিং কাউন্টার এবং ওয়েবসাইটে ভেন্টিলেশনের যাবতীয় খরচের তালিকা থাকা এখন থেকে বাধ্যতামূলক।

 

এছাড়াও, রোগী ভেন্টিলেশনে থাকাকালীন প্রতিদিন তাঁর শারীরিক অবস্থা এবং সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে পরিবারকে আপডেট দিতে হবে চিকিৎসকদের। অভিযোগ জানানোর জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে নয়া নির্দেশিকায়। যদি কোনো রোগী ১৪ দিনের বেশি ভেন্টিলেশনে থাকেন, তবে হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ অডিট করা আবশ্যিক।

 

দুই সপ্তাহের বেশি ভেন্টিলেশনে থাকার পর কোনো রোগীর মৃত্যু হলে একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারি কমিটি গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। এই কমিটির কাছেই রোগীর পরিবার যে কোনো গাফিলতি বা অস্বচ্ছতার অভিযোগ জানাতে পারবে। কেন্দ্র চাইছে, বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় আইসিইউ-এর যে চাহিদা বাড়ছে, সেখানে যেন কোনোভাবেই সাধারণ মানুষকে হেনস্থার শিকার হতে না হয়।

READ MORE.....