আগামী সাধারণ বাজেট তৈরির প্রাথমিক তোড়জোড় শুরু হতেই শেয়ার বাজারের জন্য ইতিবাচক বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। দালাল স্ট্রিট থেকে বিদেশি লগ্নিকারীদের (এফপিআই) লাগাতার তহবিল প্রত্যাহারের আবহে তিনি জানিয়েছেন, শেয়ার বাজারের কর কাঠামো— বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি মূলধনী লাভ কর (এলটিসিজি) ও সিকিউরিটিজ ট্রানজ্যাকশন ট্যাক্স (এসটিটি) পুনর্বিবেচনা করার বিষয়ে সব পক্ষের বক্তব্য শুনতে সরকার প্রস্তুত। অর্থমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর বাজারে কর লাঘবের আশা নতুন করে তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত ইকুইটির উপর এলটিসিজি ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১২.৫ শতাংশ করা হয়েছিল। যদিও ছাড়ের সীমা এক লক্ষ থেকে বাড়িয়ে সওয়া এক লক্ষ টাকা করা হয়।
পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি মূলধনী লাভ কর (এসটিসিজি) ১৫ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছিল ২০ শতাংশ। এর পর ২০২৬-এর বাজেটেও ইকুইটি ডেরিভেটিভসের উপর এসটিটি বৃদ্ধি করে কেন্দ্র, যা কার্যকর হয়েছে চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে। টানা করবৃদ্ধি এবং বিশ্ববাজারের টালমাটাল পরিস্থিতির জেরে বেশ কিছু দিন ধরেই ভারতীয় বাজার থেকে মুখ ঘোরাচ্ছিলেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। এই পরিস্থিতিতে কর পর্যালোচনার ইঙ্গিত আসায় লগ্নিকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তবে আর্থিক ঘাটতি নিয়ন্ত্রণ এবং রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা বজায় রাখার বাধ্যবাধকতা থাকায় শেষ পর্যন্ত কর কাঠামো কতটা শিথিল করা সম্ভব হবে, তা নিয়ে সংশয়ও রয়েছে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মধ্যে।















