বড়দিন ও বর্ষবরণ উপলক্ষে দিঘার পর্যটক প্রবাহ ইতিমধ্যেই বেড়ে গেছে, যার ফলে হোটেলগুলোর বুকিং প্রায় হাউসফুল পর্যায়ে পৌঁছাতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই দিঘার একাধিক হোটেলের প্রায় ৫০ শতাংশ ঘর বুক হয়ে গেছে। হোটেল ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, ২৫ ডিসেম্বরের আগে বাকি সব ঘরও দ্রুত বুক হয়ে যেতে পারে।
পর্যটকরা যদি আগে থেকে বুকিং না করেন, তবে দিঘায় এসে হোটেলের চড়া ভাড়া দিতে হতে পারে।
এ কারণে দিঘা হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন ও জেলা প্রশাসন সকল পর্যটককে আগাম বুকিং করার পরামর্শ দিচ্ছে।
নিউ দিঘার কিছু হোটেলে বিশেষ ‘ফ্যামিলি প্যাকেজ’ চালু করা হয়েছে, যেখানে থাকা এবং খাওয়া—দু’টোই অন্তর্ভুক্ত। এতে খরচ অনেকটাই কমে যায়। জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন ও বর্ষবরণের উৎসবের কারণে পর্যটকের ভিড় আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রশাসন ও হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে নজরদারি চালাচ্ছে যাতে অসাধু ব্যবসায়ীরা ভাড়া অতিরিক্ত না চায়। ইতিমধ্যেই হোটেল ভাড়ার নির্দিষ্ট তালিকা বা লিফলেট তৈরি করে সমস্ত হোটেলে পাঠানো হয়েছে। হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুশান্ত পাত্র বলেন, নির্ধারিত ভাড়ার থেকে বেশি টাকা চাইলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাই পর্যটকদের উচিত আগেভাগেই বুকিং করা।
এই উৎসবমুখর মরশুমে দিঘায় নিরাপদ ও সুবিধাজনক ভ্রমণ নিশ্চিত করতে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।















