Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

এসআইআর-এর গেরোয় শিক্ষকের সঙ্কট , উচ্চমাধ্যমিকে পরিদর্শক প্রাথমিক শিক্ষকরা

এসআইআর-এর গেরোয় শিক্ষকের সঙ্কট , উচ্চমাধ্যমিকে পরিদর্শক প্রাথমিক শিক্ষকরা

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় শিক্ষক আকাল মেটাতে এবার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের উপরেই ভরসা রাখছে সংসদ। স্পেশাল ইনফরমেশন রোল বা এসআইআর-এর কাজে অধিকাংশ উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক ব্যস্ত থাকায় এবার উচ্চমাধ্যমিকের ইনভিজিলেটর বা পরিদর্শক পদে দেখা যেতে পারে প্রায় সাত হাজার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষককে। সোমবার উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা স্পষ্ট করা হয়েছে।

 

সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য এ প্রসঙ্গে জানান, ‘প্রয়োজন হলে মাধ্যমিক এমনকী, প্রাথমিক স্তরে থেকে শিক্ষকদের দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশিকা প্রতি বছরই থাকে। এ বছর এসআইআর আবহে অনেক শিক্ষকই ব্যস্ত। আমাদের কাছে সঠিক তথ্যও নেই। তাই শিক্ষক পেতে কোনও সমস্যা হলে তা বিকাশ ভবনের তরফে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে।’ আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি জেলা স্কুল পরিদর্শক এবং জয়েন্ট কনভেনরদের সঙ্গে এই বিশেষ বৈঠকেই ঠিক হবে কত জন সরকারি কর্মীকে সেন্টার ইনচার্জের কাজে নামানো সম্ভব।

 

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিকের চূড়ান্ত চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষা যা চলবে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। একই সঙ্গে হবে তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি ও পুরনো পদ্ধতির উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। এবার তিন ধরনের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সাত লক্ষ দশ হাজার, যেখানে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা ৭৯,৩৪৭ জন বেশি। চতুর্থ সেমেস্টার এবং পুরনো পদ্ধতির পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে শুরু হলেও তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি শুরু হবে দুপুর ১টা থেকে। সংসদ জানিয়েছে, ২১০৩টি পরীক্ষাকেন্দ্রের মূল গেটেই থাকছে মেটাল ডিটেক্টর যাতে কোনওভাবেই মোবাইল বা বৈদ্যুতিন যন্ত্র ভিতরে না ঢোকে।

 

ধরা পড়লে পরীক্ষার্থীর সব পরীক্ষা বাতিল করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংসদ। প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খোলার ক্ষেত্রেও জারি হয়েছে কড়া নিয়ম। ভেনু সুপারভাইজারের কাছে নয়, বরং পরীক্ষার্থীদের সামনেই সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলবেন পরিদর্শকরা। দশটা পর্যন্ত সময় বরাদ্দ থাকছে শুধুমাত্র প্রশ্ন পড়ার জন্য। পরীক্ষা সংক্রান্ত যে কোনও সমস্যায় ৬২৮৯৮৮৬৬০৬ বা ০৩৩-২৩২১৩২১৬ নম্বরে হেল্প ডেস্কে যোগাযোগ করা যাবে বলে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্য়েই যাবতীয় সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট কেন্দ্রে।

READ MORE.....