Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

কলকাতায় অবতরণ তুর্কি বিমানে অগ্নিকাণ্ডে হুলুস্থুল দমদমে

কলকাতায় অবতরণ তুর্কি বিমানে অগ্নিকাণ্ডে হুলুস্থুল দমদমে

মাঝ আকাশে দাউদাউ করে জ্বলছে বিমানের ইঞ্জিন। প্রাণভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন ২৩৬ জন যাত্রী। বুধবার দুপুরে এক চরম উৎকণ্ঠার সাক্ষী থাকল দমদম বিমানবন্দর। নেপালের কাঠমান্ডু থেকে ইস্তানবুলগামী টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি যাত্রীবাহী বিমানে আচমকা আগুন লেগে যাওয়ায় তড়িঘড়ি সেটিকে কলকাতায় জরুরি অবতরণ করানো হল। পাইলটের তৎপরতা এবং এটিসি-র ক্ষিপ্রতায় বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন বিমানে থাকা কয়েকশো প্রাণ।

বিমানবন্দর সূত্রে খবর, টার্কিশ এয়ারলাইন্সের টিকে 727 বিমানটি নেপাল থেকে তুরস্কের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। কলকাতার আকাশসীমায় পৌঁছলে পাইলট দেখতে পান ডানদিকের ইঞ্জিনে আগুন জ্বলছে। মুহূর্তের মধ্যে তিনি কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের ( এ.টি.সি ) সঙ্গে যোগাযোগ করে জরুরি অবতরণের অনুমতি চান। পরিস্থিতি বুঝে এটিসি দ্রুত সবুজ সংকেত দেয়। রানওয়েতে আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা হয়েছিল দমকল ও জরুরি বিভাগকে। শেষ পর্যন্ত নিরাপদে অবতরণ করে বিমানটি।

আতঙ্কিত যাত্রীদের বিমান থেকে নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়। বর্তমানে তাঁরা বিমানবন্দরের লাউঞ্জে অপেক্ষা করছেন। ইঞ্জিনিয়াররা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বিমানটি মেরামতের কাজ চালাচ্ছেন। যান্ত্রিক ত্রুটি ঠিক হলে ফের ইস্তানবুলের উদ্দেশে পাড়ি দেবে বিমানটি। তবে মাঝ আকাশে এই বিভ্রাট নিয়ে ইতিমধ্যেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক। কেন বিমান ওড়ার আগে যথাযথ নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হয়নি, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে কর্তৃপক্ষের নজরদারি কি ঢিলেঢালা? বারবার এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মনে এখন সেই আশঙ্কাই জোরালো হচ্ছে।

READ MORE.....