Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

খিদিরপুরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান জনরোষের মুখে ‘ব্রাত্য’ হুমায়ুন

খিদিরপুরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান জনরোষের মুখে ‘ব্রাত্য’ হুমায়ুন

ফের আমজনতার ক্ষোভের মুখে পড়লেন ভরতপুরের বিধায়ক তথা জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। বুধবার খিদিরপুরের একবালপুর এলাকায় তাঁকে ঘিরে ধরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উত্তপ্ত পরিস্থিতির জেরে মেজাজ হারান বিধায়কও। শেষমেশ নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় ভিড় ঠেলে এলাকা ছাড়েন তিনি। উল্লেখ্য, এর আগে ৫ জানুয়ারি ব্রিগেডেও একই ধরনের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন হুমায়ুন।

এদিন নিজের ব্যক্তিগত কাজে খিদিরপুরের ষোলো আনা মসজিদের সামনে গিয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। সেখানে তাঁকে দেখামাত্রই জমায়েত করেন স্থানীয়রা। বিধায়ককে লক্ষ্য করে চিৎকার শুরু হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে ঘিরে ধরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এই ঘটনার ভিডিও নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন ভরতপুরের বিধায়ক। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, উত্তেজিত জনতা সমস্বরে তাঁকে এলাকা ছাড়ার দাবি জানাচ্ছে। যদিও বিক্ষোভকারীদের হাতে কোনও রাজনৈতিক পতাকা ছিল না, তবে হুমায়ুনের নিশানায় রাজ্যের শাসকদল।

বিধায়কের স্পষ্ট দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরাই পরিকল্পিতভাবে এই বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। তিনি বলেন, তৃণমূলের লোকজনই আমাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। তবে আশ্চর্যের বিষয় হল, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পুলিশের দ্বারস্থ হননি হুমায়ুন। থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। লালবাজার সূত্রে জানানো হয়েছে, এখনও কোনও অভিযোগ আসেনি। লিখিতভাবে জানানো হলে পুলিশ অবশ্যই বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনি ব্যবস্থা নেবে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বারবার মেজাজ হারানো এবং বিতর্কিত মন্তব্যের জেরেই জনমানসে হুমায়ুনকে নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে। খিদিরপুরের ঘটনাটি আদতে ‘জনরোষ’ নাকি নেপথ্যে রাজনৈতিক উস্কানি রয়েছে, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। কোনও দলীয় পতাকা না থাকা সত্ত্বেও বিধায়ক কেন শাসকদলকে বিঁধছেন, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। আপাতত খিদিরপুরের ওই চত্বরে উত্তেজনা থাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

READ MORE.....