গরু পাচার সন্দেহে মারধরকাণ্ডে আক্রান্তদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে দুর্গাপুরের জেমুয়া গ্রামে এলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। দুর্গাপুরের ডিপিএল কলোনিতে বৃহস্পতিবার গরু পাচারকারী সন্দেহে দুর্গাপুরের জেমুয়া গ্রামের কয়েকজন গরু ব্যবসায়ীকে মারধর করে গরুগুলি ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে ঘিরে শিল্পাঞ্চলে নানা মহলে ক্ষোভের সঞ্চার হয়। ঘটনায় ইতিমধ্যেই দুজনকে গ্রেফতার করলেও আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার সুনীল চৌধুরী জানান, মূল অভিযুক্তর খোঁজে এখনও তল্লাশি চলছে এবং দ্রুতই মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হবে। এই ঘটনার জেরে গতকাল(শুক্রবার) রাত্রে দুর্গাপুর থানা ঘেরাও করেন বেশ কিছু মানুষ।
বিজেপির যুব মোর্চার স্থানীয় নেতা পারিজাত গাঙ্গুলি সহ তার সঙ্গীরা এমন কান্ড ঘটিয়েছে, এই ঘটনার জেরে পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী কোক-ওভেন থানায় অভিযোগও দায়ের করেন। শনিবার যে এলাকার মানুষজনদের মারধর করা হয় সেই জেমুয়া গ্রামে আসেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। তিনি সাংবাদিকদের স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে হবে আগামী সাত দিনের মধ্যে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বা বিরোধী দলনেতা যদি মূল দুষ্কৃতিকে আড়াল করতে চায় আমরা থেমে থাকব না, সেইসঙ্গে হারিয়ে যাওয়া গরু গুলো উদ্ধার করে দিতে হবে। এমন দাবি তোলেন নওশাদ সিদ্দিকী। ওই দিনের ঘটনার জেরে আহত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বেশ কিছু মানুষের সঙ্গে তিনি কথা বলেন, এরপরে তিনি ফিরে যান কলকাতার উদ্দেশ্যে।















