বাংলায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে এ বার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিল নির্বাচন কমিশন। সোমবার কলকাতায় রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সঙ্গে ছিলেন দুই কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশী।
স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সোমবার রাত থেকেই রাজ্যজুড়ে বিশেষ অভিযান শুরু হবে। উদ্ধার করতে হবে বেআইনি অস্ত্র, বোমা ও নগদ টাকা। ভোটের ময়দানে মদ বা কোনও প্রলোভন বরদাস্ত করা হবে না । এ দিন রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন কমিশনের প্রতিনিধিরা। প্রতিটি দলই ভোট পরবর্তী হিংসা ও পেশিশক্তির আস্ফালন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিও জানানো হয়েছে। এর পরেই কড়া বার্তা দিয়ে জ্ঞানেশ কুমার বলেন, ‘ভোটে হিংসা বা ভোটারদের ভয় দেখানোর ঘটনায় কমিশনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি থাকবে।’
একই সঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়াও স্বচ্ছতার সঙ্গে শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে ১৯৮৮ সালের মাদক ও নিষিদ্ধ দ্রব্য সংক্রান্ত পিআইটিএনডিপিএস আইন কার্যকর না হওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কমিশন। রাজ্যে এই আইনে অভিযুক্তদের আটক করার জন্য কেন কোনও ‘অ্যাডভাইজরি বোর্ড’ নেই, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কর্তারা। রাজ্য প্রশাসনের ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হতে পারেননি তাঁরা। শেষবেলায় ইভিএম ব্যবস্থা, ভোটকর্মীদের প্রশিক্ষণ ও বুথগুলিতে ন্যূনতম পরিষেবা নিশ্চিত করার জন্য কড়া নির্দেশ দিয়ে শহর ছেড়েছে কমিশন।













