Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket
Latest News
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হলো কেন?’ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে এই প্রশ্নের জবাবদিহি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্যের রিপোর্ট তলব করেছেন৷ আগামী ১৩ অক্টোবর ফের এই মামলার শুনানি। চলতি বছরের ৪ মে বিধানসভার নির্বাচনের ফল বেরোনোর প্রায় পরপর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে রাজ্য সরকার। এরপর প্রথমে সোনারপুরের কামরাবাদে কার্যত গণপিটুনির শিকার হন অভিষেক। পরেও একাধিকবার রাজনৈতিক বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন তিনি। তারপরেই নিজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। আজ সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার এত তাড়া কী ছিল ? ১০ মে রাজ্যে পালাবদলের পরই কেন প্রত্যাহার করা হল ? ২৯ মে প্রশাসন নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিভিউ মিটিং-এর পর কীভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘এক্স’ ক্যাটেগরি নিরাপত্তা হলেই চলবে ? পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের কাছে নিরাপত্তা দেওয়ার যে আবেদন জানিয়েছিলেন, তাতে কী পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন?’ রাজ্যের তরফে আদালতের প্রশ্নে জবাবদিহি করতে তিন সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়েছিল ৷ কিন্তু বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবেই নির্দেশ দেবে আদালত৷ রাজ্য দায়িত্ব নিলে এক বছর পরে শুনানি হলেও সমস্যা নেই৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’ অভিষেকের আইনজীবীরা এদিন আদালতে জানান, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর ১০ মে থেকে নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়েছে৷ ৩০ মে রাজপুর সোনারপুর পুর এলাকায় গিয়েছিলেন তিনি৷ সেখানে দুষ্কৃতীরা ঘিরে ধরে৷ শুধু দু’জন পিএসও নিয়ে সেখানে যেতে হয়েছিল৷ প্রায় ৫০০ জন লাঠি, ডিম, পাথর নিয়ে হাজির ছিল কামরাবাদ মোড়ে ৷ সেখান থেকে হেলমেট পরে কোনও রকমে মোটরসাইকেলে চড়ে ওখান থেকে বেরোতে হয়। এই ধরনের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার আগে একটা মূল্যায়ন করতে হয়৷ ২০১৬ সাল থেকে এই জেড প্লাস ক্যাটেগরি নিরাপত্তা ছিল৷ ৩০ মের ঘটনা ছাড়া আরও তিনটি ঘটনা ঘটেছে৷ ১৯ জুন এয়ারপোর্টে এক ব্যক্তি রিভলভার নিয়ে গিয়েছিলেন৷ ১৮ ও ১৯ জুলাই যখন ডায়মন্ড হারবারে পার্টি অফিস ভাঙা হচ্ছিল সেই সময় আমতলায় গিয়ে আক্রান্ত হন। ৩ সেপ্টেম্বর ক্যামাক স্ট্রিটে চতুর্থ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীরা আরও জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও সাধারণ ব্যক্তি নন৷ তিনি বেশ কয়েকবারের সাংসদ৷ কেন তাঁর নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হল? বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, আপনাদের কাছে নিরাপত্তার আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক৷ সে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? রাজ্যের আইনজীবী জানান, ১০ মে অভিষেকের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়৷ ২৯ মে রাজ্য প্রশাসন ফের মূল্যায়ন করে তাঁর নিরাপত্তা এক্স ক্যাটাগরি করে৷ সমস্ত জেলা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রশাসন মূল্যায়ন করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ এই সওয়াল-জবাবের পর অভিষেকের নিরাপত্তা বিষয়ে কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, সে বিষয়ে আদালত জানতে চায় বলে রিপোর্ট চান বিচারপতি৷ রাজ্যের আইনজীবী বলেন, আপাতত তিন সপ্তাহ সময় দেওয়া হোক৷ বিচারপতি তখন বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবে নির্দেশ দেবে আদালত৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’ অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার কেন? রাজ্য সরকারের কাছে জবাবদিহি তলব হাইকোর্টের হুমায়ুনকে আইনের পাঠ শেখালেন শুভেন্দু লক্ষ্মীরতনের কোচিংয়ে ইরানি কাপ অবশিষ্ট ভারতের রাশিয়ায় প্লেগের আতঙ্ক, কোয়ারেন্টাইনে ২০০ চিকিৎসক ইন্ডি জোটে বিজয়ের দল, শক্তি বাড়ল বিরোধী শিবিরে
Latest News
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হলো কেন?’ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে এই প্রশ্নের জবাবদিহি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্যের রিপোর্ট তলব করেছেন৷ আগামী ১৩ অক্টোবর ফের এই মামলার শুনানি। চলতি বছরের ৪ মে বিধানসভার নির্বাচনের ফল বেরোনোর প্রায় পরপর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে রাজ্য সরকার। এরপর প্রথমে সোনারপুরের কামরাবাদে কার্যত গণপিটুনির শিকার হন অভিষেক। পরেও একাধিকবার রাজনৈতিক বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন তিনি। তারপরেই নিজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। আজ সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার এত তাড়া কী ছিল ? ১০ মে রাজ্যে পালাবদলের পরই কেন প্রত্যাহার করা হল ? ২৯ মে প্রশাসন নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিভিউ মিটিং-এর পর কীভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘এক্স’ ক্যাটেগরি নিরাপত্তা হলেই চলবে ? পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের কাছে নিরাপত্তা দেওয়ার যে আবেদন জানিয়েছিলেন, তাতে কী পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন?’ রাজ্যের তরফে আদালতের প্রশ্নে জবাবদিহি করতে তিন সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়েছিল ৷ কিন্তু বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবেই নির্দেশ দেবে আদালত৷ রাজ্য দায়িত্ব নিলে এক বছর পরে শুনানি হলেও সমস্যা নেই৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’ অভিষেকের আইনজীবীরা এদিন আদালতে জানান, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর ১০ মে থেকে নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়েছে৷ ৩০ মে রাজপুর সোনারপুর পুর এলাকায় গিয়েছিলেন তিনি৷ সেখানে দুষ্কৃতীরা ঘিরে ধরে৷ শুধু দু’জন পিএসও নিয়ে সেখানে যেতে হয়েছিল৷ প্রায় ৫০০ জন লাঠি, ডিম, পাথর নিয়ে হাজির ছিল কামরাবাদ মোড়ে ৷ সেখান থেকে হেলমেট পরে কোনও রকমে মোটরসাইকেলে চড়ে ওখান থেকে বেরোতে হয়। এই ধরনের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার আগে একটা মূল্যায়ন করতে হয়৷ ২০১৬ সাল থেকে এই জেড প্লাস ক্যাটেগরি নিরাপত্তা ছিল৷ ৩০ মের ঘটনা ছাড়া আরও তিনটি ঘটনা ঘটেছে৷ ১৯ জুন এয়ারপোর্টে এক ব্যক্তি রিভলভার নিয়ে গিয়েছিলেন৷ ১৮ ও ১৯ জুলাই যখন ডায়মন্ড হারবারে পার্টি অফিস ভাঙা হচ্ছিল সেই সময় আমতলায় গিয়ে আক্রান্ত হন। ৩ সেপ্টেম্বর ক্যামাক স্ট্রিটে চতুর্থ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীরা আরও জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও সাধারণ ব্যক্তি নন৷ তিনি বেশ কয়েকবারের সাংসদ৷ কেন তাঁর নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হল? বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, আপনাদের কাছে নিরাপত্তার আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক৷ সে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? রাজ্যের আইনজীবী জানান, ১০ মে অভিষেকের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়৷ ২৯ মে রাজ্য প্রশাসন ফের মূল্যায়ন করে তাঁর নিরাপত্তা এক্স ক্যাটাগরি করে৷ সমস্ত জেলা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রশাসন মূল্যায়ন করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ এই সওয়াল-জবাবের পর অভিষেকের নিরাপত্তা বিষয়ে কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, সে বিষয়ে আদালত জানতে চায় বলে রিপোর্ট চান বিচারপতি৷ রাজ্যের আইনজীবী বলেন, আপাতত তিন সপ্তাহ সময় দেওয়া হোক৷ বিচারপতি তখন বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবে নির্দেশ দেবে আদালত৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’ অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার কেন? রাজ্য সরকারের কাছে জবাবদিহি তলব হাইকোর্টের হুমায়ুনকে আইনের পাঠ শেখালেন শুভেন্দু লক্ষ্মীরতনের কোচিংয়ে ইরানি কাপ অবশিষ্ট ভারতের রাশিয়ায় প্লেগের আতঙ্ক, কোয়ারেন্টাইনে ২০০ চিকিৎসক ইন্ডি জোটে বিজয়ের দল, শক্তি বাড়ল বিরোধী শিবিরে

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হলো কেন?’ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে এই প্রশ্নের জবাবদিহি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্যের রিপোর্ট তলব করেছেন৷ আগামী ১৩ অক্টোবর ফের এই মামলার শুনানি। চলতি বছরের ৪ মে বিধানসভার নির্বাচনের ফল বেরোনোর প্রায় পরপর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে রাজ্য সরকার। এরপর প্রথমে সোনারপুরের কামরাবাদে কার্যত গণপিটুনির শিকার হন অভিষেক। পরেও একাধিকবার রাজনৈতিক বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন তিনি। তারপরেই নিজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। আজ সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার এত তাড়া কী ছিল ? ১০ মে রাজ্যে পালাবদলের পরই কেন প্রত্যাহার করা হল ? ২৯ মে প্রশাসন নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিভিউ মিটিং-এর পর কীভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘এক্স’ ক্যাটেগরি নিরাপত্তা হলেই চলবে ? পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের কাছে নিরাপত্তা দেওয়ার যে আবেদন জানিয়েছিলেন, তাতে কী পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন?’ রাজ্যের তরফে আদালতের প্রশ্নে জবাবদিহি করতে তিন সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়েছিল ৷ কিন্তু বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবেই নির্দেশ দেবে আদালত৷ রাজ্য দায়িত্ব নিলে এক বছর পরে শুনানি হলেও সমস্যা নেই৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’ অভিষেকের আইনজীবীরা এদিন আদালতে জানান, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর ১০ মে থেকে নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়েছে৷ ৩০ মে রাজপুর সোনারপুর পুর এলাকায় গিয়েছিলেন তিনি৷ সেখানে দুষ্কৃতীরা ঘিরে ধরে৷ শুধু দু’জন পিএসও নিয়ে সেখানে যেতে হয়েছিল৷ প্রায় ৫০০ জন লাঠি, ডিম, পাথর নিয়ে হাজির ছিল কামরাবাদ মোড়ে ৷ সেখান থেকে হেলমেট পরে কোনও রকমে মোটরসাইকেলে চড়ে ওখান থেকে বেরোতে হয়। এই ধরনের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার আগে একটা মূল্যায়ন করতে হয়৷ ২০১৬ সাল থেকে এই জেড প্লাস ক্যাটেগরি নিরাপত্তা ছিল৷ ৩০ মের ঘটনা ছাড়া আরও তিনটি ঘটনা ঘটেছে৷ ১৯ জুন এয়ারপোর্টে এক ব্যক্তি রিভলভার নিয়ে গিয়েছিলেন৷ ১৮ ও ১৯ জুলাই যখন ডায়মন্ড হারবারে পার্টি অফিস ভাঙা হচ্ছিল সেই সময় আমতলায় গিয়ে আক্রান্ত হন। ৩ সেপ্টেম্বর ক্যামাক স্ট্রিটে চতুর্থ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীরা আরও জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও সাধারণ ব্যক্তি নন৷ তিনি বেশ কয়েকবারের সাংসদ৷ কেন তাঁর নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হল? বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, আপনাদের কাছে নিরাপত্তার আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক৷ সে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? রাজ্যের আইনজীবী জানান, ১০ মে অভিষেকের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়৷ ২৯ মে রাজ্য প্রশাসন ফের মূল্যায়ন করে তাঁর নিরাপত্তা এক্স ক্যাটাগরি করে৷ সমস্ত জেলা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রশাসন মূল্যায়ন করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ এই সওয়াল-জবাবের পর অভিষেকের নিরাপত্তা বিষয়ে কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, সে বিষয়ে আদালত জানতে চায় বলে রিপোর্ট চান বিচারপতি৷ রাজ্যের আইনজীবী বলেন, আপাতত তিন সপ্তাহ সময় দেওয়া হোক৷ বিচারপতি তখন বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবে নির্দেশ দেবে আদালত৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হলো কেন?’ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে এই প্রশ্নের জবাবদিহি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্যের রিপোর্ট তলব করেছেন৷ আগামী ১৩ অক্টোবর ফের এই মামলার শুনানি। চলতি বছরের ৪ মে বিধানসভার নির্বাচনের ফল বেরোনোর প্রায় পরপর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে রাজ্য সরকার। এরপর প্রথমে সোনারপুরের কামরাবাদে কার্যত গণপিটুনির শিকার হন অভিষেক। পরেও একাধিকবার রাজনৈতিক বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন তিনি। তারপরেই নিজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। আজ সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার এত তাড়া কী ছিল ? ১০ মে রাজ্যে পালাবদলের পরই কেন প্রত্যাহার করা হল ? ২৯ মে প্রশাসন নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিভিউ মিটিং-এর পর কীভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘এক্স’ ক্যাটেগরি নিরাপত্তা হলেই চলবে ? পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের কাছে নিরাপত্তা দেওয়ার যে আবেদন জানিয়েছিলেন, তাতে কী পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন?’ রাজ্যের তরফে আদালতের প্রশ্নে জবাবদিহি করতে তিন সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়েছিল ৷ কিন্তু বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবেই নির্দেশ দেবে আদালত৷ রাজ্য দায়িত্ব নিলে এক বছর পরে শুনানি হলেও সমস্যা নেই৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’ অভিষেকের আইনজীবীরা এদিন আদালতে জানান, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর ১০ মে থেকে নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়েছে৷ ৩০ মে রাজপুর সোনারপুর পুর এলাকায় গিয়েছিলেন তিনি৷ সেখানে দুষ্কৃতীরা ঘিরে ধরে৷ শুধু দু’জন পিএসও নিয়ে সেখানে যেতে হয়েছিল৷ প্রায় ৫০০ জন লাঠি, ডিম, পাথর নিয়ে হাজির ছিল কামরাবাদ মোড়ে ৷ সেখান থেকে হেলমেট পরে কোনও রকমে মোটরসাইকেলে চড়ে ওখান থেকে বেরোতে হয়। এই ধরনের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার আগে একটা মূল্যায়ন করতে হয়৷ ২০১৬ সাল থেকে এই জেড প্লাস ক্যাটেগরি নিরাপত্তা ছিল৷ ৩০ মের ঘটনা ছাড়া আরও তিনটি ঘটনা ঘটেছে৷ ১৯ জুন এয়ারপোর্টে এক ব্যক্তি রিভলভার নিয়ে গিয়েছিলেন৷ ১৮ ও ১৯ জুলাই যখন ডায়মন্ড হারবারে পার্টি অফিস ভাঙা হচ্ছিল সেই সময় আমতলায় গিয়ে আক্রান্ত হন। ৩ সেপ্টেম্বর ক্যামাক স্ট্রিটে চতুর্থ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীরা আরও জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও সাধারণ ব্যক্তি নন৷ তিনি বেশ কয়েকবারের সাংসদ৷ কেন তাঁর নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হল? বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, আপনাদের কাছে নিরাপত্তার আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক৷ সে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? রাজ্যের আইনজীবী জানান, ১০ মে অভিষেকের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়৷ ২৯ মে রাজ্য প্রশাসন ফের মূল্যায়ন করে তাঁর নিরাপত্তা এক্স ক্যাটাগরি করে৷ সমস্ত জেলা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রশাসন মূল্যায়ন করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ এই সওয়াল-জবাবের পর অভিষেকের নিরাপত্তা বিষয়ে কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, সে বিষয়ে আদালত জানতে চায় বলে রিপোর্ট চান বিচারপতি৷ রাজ্যের আইনজীবী বলেন, আপাতত তিন সপ্তাহ সময় দেওয়া হোক৷ বিচারপতি তখন বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবে নির্দেশ দেবে আদালত৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’

জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতে হবে। এসআইআর বাতিল করতে হবে এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে নির্বাচন করতে হবে।’ এই ৩ দাবি তুলে রাজধানী দিল্লির রাজপথে কেন্দ্রের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় তুলল ইন্ডিয়া জোট। ২ অক্টোবর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত ইন্ডিয়া জোটের ডাকে দেশজুড়ে যে সপ্তাহব্যাপী আন্দোলন চলছে, এই মিছিল তারই অংশ। তবে এদিন বিরোধীদের মিছিলে দেখা যায়নি ডিএমকে এবং আম আদমি পার্টিকে। বৈঠকে না থাকলেও মিছিলে পা মেলান সপা প্রধান অখিলেশ যাদব।

 

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ঝাঁঝ আরও বাড়াল বিরোধী শিবির। এসআইআর-এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার সংসদ থেকে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের দিকে মিছিল করে যান বিরোধী সাংসদরা। নির্বাচন সদনে পৌঁছনোর আগেই মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। এরপর সেখানেই অবস্থান-বিক্ষোভে বসেন বিরোধী নেতারা। মিছিল ঘিরে সংসদ চত্বর এবং নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরের আশপাশে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। কেন্দ্রীয় দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। নির্বাচন সদনের দিকে বিরোধী সাংসদদের মিছিল এগিয়ে যাওয়া আটকাতেই এই ব্যবস্থা বলে জানা যায়। নির্বাচন কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে ব্যারিকেড টপকে জাতীয় পতাকা হাতে তুলে ধরেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি। এরপরই তাঁকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।

 

ইন্ডিয়া জোটের ‘সেভ ডেমোক্রেসি’ মিছিল থেকে রাহুল গান্ধির পাশাপাশি প্রিয়ঙ্কা গান্ধি বঢরা, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, অখিলেশ যাদব-সহ একাধিক শীর্ষ বিরোধী সাংসদকেও আটক করা হয়। পার্লামেন্ট স্ট্রিটে পরিবহণ ভবনের কাছে এবং নীতি আয়োগ থেকে আকাশবাণী ভবনের মধ্যবর্তী এলাকায় ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রশাসনের দাবি, বড় জমায়েতের জন্য কোনও আনুষ্ঠানিক অনুমতি নেওয়া হয়নি। শুধুমাত্র ৩০ জন সাংসদকে নির্বাচন কমিশনের দফতরে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সেখানে ২০০-রও বেশি সাংসদ জড়ো হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যারিকেড দেওয়া হয়। এরপর পুলিশের ব্যারিকেডের উপর উঠে তেরঙ্গা হাতে তুলে ধরেন রাহুল গান্ধী। পরে অন্যান্য বিরোধী নেতাদের সঙ্গে রাস্তায় বসে ধর্নায় সামিল হন তিনি।

 

পুলিশ বাসে করে তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। আটক হওয়ার পরও আকাশবাণী ভবনের গেটের কাছে বসে বিক্ষোভ চালিয়ে যান বিরোধী নেতারা। বেশ কয়েকজনকে দেখা গিয়েছে ব্যারিকেডের উপরে বসে থাকতে। একটা সময় পরে ব্যারিকেডে চড়ে বসেন রাহুল নিজেও। ব্যারিকেডের উপরে বসে তেরঙ্গা ওড়াতে দেখা যায় তাঁকে । এদিন ধরনায় অভিষেক ছাড়াও ছিলেন রাজ্যসভার দুই তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন এবং রাজীব কুমার। এদিন মিছিল চলাকালীন ‘ভোট চোর, গদি ছোড়’ স্লোগান তোলেন বিরোধী সাংসদরা।

 

সেই দেখে অনেকেই মনে করিয়ে দিয়েছেন অভিষেকের এক পুরনো বক্তব্য। রাহুল গান্ধী তখন ভোট চুরির অভিযোগে সরব। কিন্তু অভিষেক খানিক দায়সারাভাবেই বলেছিলেন, এমন চুরি হয়ে থাকলে প্রমাণ হওয়া উচিত। কিন্তু সেই অভিষেকই আজ বললেন, বাংলা-সহ নানা রাজ্যে ভোট চুরি হয়েছে। এসআইআর করে ভোটাধিকার কাড়া হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবির সঙ্গে এবার সরাসরি গ্রেফতারির দাবিও তুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

মঙ্গলবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে ইন্ডিয়া জোটের মিছিল চলাকালীন জ্ঞানেশকে নিশানা করে একের পর এক অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, ভোটারদের অধিকার খর্ব করা হয়েছে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে যে অভিযোগ বিরোধীরা এত দিন করে আসছিলেন, সাম্প্রতিক সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। অভিষেকের অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন কমিশনের সিদ্ধান্তে বাংলা, বিহার এবং মহারাষ্ট্রে বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। ট্রাইব্যুনালে লক্ষ লক্ষ নাম অমীমাংসিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, মানুষের ভোটের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তাই শুধু পদত্যাগ চাইলেই হবে না, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারির পদক্ষেপও প্রয়োজন।

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হলো কেন?’ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে এই প্রশ্নের জবাবদিহি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্যের রিপোর্ট তলব করেছেন৷ আগামী ১৩ অক্টোবর ফের এই মামলার শুনানি। চলতি বছরের ৪ মে বিধানসভার নির্বাচনের ফল বেরোনোর প্রায় পরপর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে রাজ্য সরকার। এরপর প্রথমে সোনারপুরের কামরাবাদে কার্যত গণপিটুনির শিকার হন অভিষেক। পরেও একাধিকবার রাজনৈতিক বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন তিনি। তারপরেই নিজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। আজ সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার এত তাড়া কী ছিল ? ১০ মে রাজ্যে পালাবদলের পরই কেন প্রত্যাহার করা হল ? ২৯ মে প্রশাসন নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিভিউ মিটিং-এর পর কীভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘এক্স’ ক্যাটেগরি নিরাপত্তা হলেই চলবে ? পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের কাছে নিরাপত্তা দেওয়ার যে আবেদন জানিয়েছিলেন, তাতে কী পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন?’ রাজ্যের তরফে আদালতের প্রশ্নে জবাবদিহি করতে তিন সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়েছিল ৷ কিন্তু বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবেই নির্দেশ দেবে আদালত৷ রাজ্য দায়িত্ব নিলে এক বছর পরে শুনানি হলেও সমস্যা নেই৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’ অভিষেকের আইনজীবীরা এদিন আদালতে জানান, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর ১০ মে থেকে নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়েছে৷ ৩০ মে রাজপুর সোনারপুর পুর এলাকায় গিয়েছিলেন তিনি৷ সেখানে দুষ্কৃতীরা ঘিরে ধরে৷ শুধু দু’জন পিএসও নিয়ে সেখানে যেতে হয়েছিল৷ প্রায় ৫০০ জন লাঠি, ডিম, পাথর নিয়ে হাজির ছিল কামরাবাদ মোড়ে ৷ সেখান থেকে হেলমেট পরে কোনও রকমে মোটরসাইকেলে চড়ে ওখান থেকে বেরোতে হয়। এই ধরনের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার আগে একটা মূল্যায়ন করতে হয়৷ ২০১৬ সাল থেকে এই জেড প্লাস ক্যাটেগরি নিরাপত্তা ছিল৷ ৩০ মের ঘটনা ছাড়া আরও তিনটি ঘটনা ঘটেছে৷ ১৯ জুন এয়ারপোর্টে এক ব্যক্তি রিভলভার নিয়ে গিয়েছিলেন৷ ১৮ ও ১৯ জুলাই যখন ডায়মন্ড হারবারে পার্টি অফিস ভাঙা হচ্ছিল সেই সময় আমতলায় গিয়ে আক্রান্ত হন। ৩ সেপ্টেম্বর ক্যামাক স্ট্রিটে চতুর্থ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীরা আরও জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও সাধারণ ব্যক্তি নন৷ তিনি বেশ কয়েকবারের সাংসদ৷ কেন তাঁর নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হল? বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, আপনাদের কাছে নিরাপত্তার আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক৷ সে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? রাজ্যের আইনজীবী জানান, ১০ মে অভিষেকের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়৷ ২৯ মে রাজ্য প্রশাসন ফের মূল্যায়ন করে তাঁর নিরাপত্তা এক্স ক্যাটাগরি করে৷ সমস্ত জেলা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রশাসন মূল্যায়ন করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ এই সওয়াল-জবাবের পর অভিষেকের নিরাপত্তা বিষয়ে কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, সে বিষয়ে আদালত জানতে চায় বলে রিপোর্ট চান বিচারপতি৷ রাজ্যের আইনজীবী বলেন, আপাতত তিন সপ্তাহ সময় দেওয়া হোক৷ বিচারপতি তখন বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবে নির্দেশ দেবে আদালত৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’

READ MORE.....

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হলো কেন?’ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে এই প্রশ্নের জবাবদিহি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্যের রিপোর্ট তলব করেছেন৷ আগামী ১৩ অক্টোবর ফের এই মামলার শুনানি। চলতি বছরের ৪ মে বিধানসভার নির্বাচনের ফল বেরোনোর প্রায় পরপর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে রাজ্য সরকার। এরপর প্রথমে সোনারপুরের কামরাবাদে কার্যত গণপিটুনির শিকার হন অভিষেক। পরেও একাধিকবার রাজনৈতিক বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন তিনি। তারপরেই নিজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। আজ সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার এত তাড়া কী ছিল ? ১০ মে রাজ্যে পালাবদলের পরই কেন প্রত্যাহার করা হল ? ২৯ মে প্রশাসন নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিভিউ মিটিং-এর পর কীভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘এক্স’ ক্যাটেগরি নিরাপত্তা হলেই চলবে ? পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের কাছে নিরাপত্তা দেওয়ার যে আবেদন জানিয়েছিলেন, তাতে কী পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন?’ রাজ্যের তরফে আদালতের প্রশ্নে জবাবদিহি করতে তিন সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়েছিল ৷ কিন্তু বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবেই নির্দেশ দেবে আদালত৷ রাজ্য দায়িত্ব নিলে এক বছর পরে শুনানি হলেও সমস্যা নেই৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’ অভিষেকের আইনজীবীরা এদিন আদালতে জানান, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর ১০ মে থেকে নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়েছে৷ ৩০ মে রাজপুর সোনারপুর পুর এলাকায় গিয়েছিলেন তিনি৷ সেখানে দুষ্কৃতীরা ঘিরে ধরে৷ শুধু দু’জন পিএসও নিয়ে সেখানে যেতে হয়েছিল৷ প্রায় ৫০০ জন লাঠি, ডিম, পাথর নিয়ে হাজির ছিল কামরাবাদ মোড়ে ৷ সেখান থেকে হেলমেট পরে কোনও রকমে মোটরসাইকেলে চড়ে ওখান থেকে বেরোতে হয়। এই ধরনের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার আগে একটা মূল্যায়ন করতে হয়৷ ২০১৬ সাল থেকে এই জেড প্লাস ক্যাটেগরি নিরাপত্তা ছিল৷ ৩০ মের ঘটনা ছাড়া আরও তিনটি ঘটনা ঘটেছে৷ ১৯ জুন এয়ারপোর্টে এক ব্যক্তি রিভলভার নিয়ে গিয়েছিলেন৷ ১৮ ও ১৯ জুলাই যখন ডায়মন্ড হারবারে পার্টি অফিস ভাঙা হচ্ছিল সেই সময় আমতলায় গিয়ে আক্রান্ত হন। ৩ সেপ্টেম্বর ক্যামাক স্ট্রিটে চতুর্থ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীরা আরও জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও সাধারণ ব্যক্তি নন৷ তিনি বেশ কয়েকবারের সাংসদ৷ কেন তাঁর নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হল? বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, আপনাদের কাছে নিরাপত্তার আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক৷ সে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? রাজ্যের আইনজীবী জানান, ১০ মে অভিষেকের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়৷ ২৯ মে রাজ্য প্রশাসন ফের মূল্যায়ন করে তাঁর নিরাপত্তা এক্স ক্যাটাগরি করে৷ সমস্ত জেলা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রশাসন মূল্যায়ন করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ এই সওয়াল-জবাবের পর অভিষেকের নিরাপত্তা বিষয়ে কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, সে বিষয়ে আদালত জানতে চায় বলে রিপোর্ট চান বিচারপতি৷ রাজ্যের আইনজীবী বলেন, আপাতত তিন সপ্তাহ সময় দেওয়া হোক৷ বিচারপতি তখন বলেন, ‘ইতিমধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নেবে? রাজ্য নেবে? তাহলে সেইভাবে নির্দেশ দেবে আদালত৷ চারটে ঘটনা ঘটার পর মূল্যায়ন করা হয়েছিল?’