দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় ট্রায়াল কোর্টের রায়ে বেকসুর খালাস পেয়েই আগ্রাসী মেজাজে ফিরলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। রবিবার যন্তর-মন্তরের জনসভায় দাঁড়িয়ে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিশানা করলেন আপ সুপ্রিমো। তাঁর সাফ কথা, ‘আজ থেকে বিজেপির শাসন শেষ হওয়ার কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেল।’ শুক্রবার দিল্লির সিবিআই আদালত কেজরিওয়াল ও মণীশ সিসোদিয়া-সহ ২৩ জনকে মুক্তি দিয়েছে। আদালতের এই রায়কে কেন্দ্রের গালে ‘কষিয়ে থাপ্পড়’ হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল। দিনের মঞ্চ থেকে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহের নাম করে তোপ দাগেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘মোদীজি এবং অমিত শাহ বছরের পর বছর ধরে বলে গিয়েছেন — কেজরিওয়াল দুর্নীতিগ্রস্ত এবং তিনি ঘুষ নিয়েছেন। এখন আদালতের বিচারকই মোদীকে বলে দিলেন — আপনি ভুল। কেজরি একজন কট্টর ইমানদার (অত্যন্ত সৎ) ব্যক্তি।’ দুর্নীতির অভিযোগ উড়িয়ে তাঁর চ্যালেঞ্জ, তাঁর সই করা ফাইলে কোনও কারচুপি থাকলে কেন্দ্র তা খুঁজে বের করে দেখাক। বিজেপির ১২ বছরের শাসনকালকে তীব্র আক্রমণ করে আপ প্রধানের অভিযোগ, আম আদমি পার্টিকে হারাতে গিয়ে দিল্লির হাল বেহাল করেছে কেন্দ্র। তাঁর দাবি, নেতাদের জেলে পুরে রাখায় বিপর্যস্ত হয়েছে জনজীবন। কেজরিওয়ালের কথায়, ‘আজ কী পাচ্ছে দিল্লি?
অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর এয়ার কোয়ালিটি ইন্ডেক্স (একিউআই), বন্ধ হতে থাকা স্কুল, বেহাল নিকাশি ব্যবস্থা, এমনকী বাড়িতে নোংরা পানীয় জল পাচ্ছেন সাধারণ নাগরিক।’ র্যালিতে উপস্থিত ছাঁটাই হওয়া মহল্লা ক্লিনিকের কর্মী ও বাস মার্শালদের পাশে দাঁড়িয়েছেন কেজরিওয়াল। বিজেপির ক্ষমতা দখলের লড়াইকে বিঁধে তিনি বলেন, ‘তারা দেশ চালাতে চায় না, তারা শুধু ক্ষমতার পিছনে ছুটতে পারে।’ সিসোদিয়াও ট্রাম্প-ট্যারিফ সহ বর্তমান সমস্যা নিয়ে সরব হন। দেশের শিক্ষা ও কর্মসংস্থান ধ্বংস করার জন্য সরাসরি কেন্দ্রকেই দায়ী করেছেন জেলমুক্ত এই আপ নেতারা।












