Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

রাহুল-বিট্টুর মন্তব্যে রণক্ষেত্র মকর দ্বার

রাহুল-বিট্টুর মন্তব্যে রণক্ষেত্র মকর দ্বার

সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরুর আগেই বুধবার সকালে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল মকর দ্বার চত্বর। সৌজন্যে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবনীত সিং বিট্টু। একে অপরকে ‘গদ্দার’ ও ‘দেশের শত্রু’ বলে আক্রমণ শানালেন দুই নেতা। ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকার প্রতিবাদে যখন কংগ্রেস সাংসদরা সোচ্চার, ঠিক তখনই এই নজিরবিহীন বাদানুবাদে সরগরম হয়ে উঠল রাজনীতির অলিন্দ।

বুধবার সকালে মকর দ্বারের সামনে ব্যানার হাতে বিক্ষোভে শামিল হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী ও অন্যান্য কংগ্রেস সাংসদেরা। তাঁদের লক্ষ্য ছিল মোদী সরকারের সাম্প্রতিক বিদেশনীতি। ঠিক সেই সময় সেখান দিয়ে যাচ্ছিলেন এক সময়ের কংগ্রেসী নেতা তথা বর্তমানে বিজেপির রাজ্যসভা সাংসদ ও কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী রবনীত সিং বিট্টু। তাঁকে দেখামাত্রই মেজাজ পাল্টে ফেলেন রাহুল। উপস্থিত সতীর্থদের উদ্দেশে রাহুল টিপ্পনি কেটে বলেন,”ওই দেখুন গদ্দার হেঁটে আসছে। ওঁর মুখের দিকে তাকিয়ে দেখুন। শুধু তাই নয়, সরাসরি বিট্টুর দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে রাহুল বিদ্রূপের সুরে বলেন, একজন বিশ্বাসঘাতক এদিকেই আসছেন। সকলে তাঁর দিকে নজর রাখুন।

রাহুলের এই ‘গদ্দার’ অর্থাৎ ‘বিশ্বাসঘাতক বন্ধু’ সম্বোধন শুনে মেজাজ হারান বিট্টু। হাত মেলানো তো দূর অস্ত, রাহুলকে পাল্টা তোপ দেগে তিনি চিৎকার করে বলেন, ‘দেশের শত্রু!’ এখানেই থেমে থাকেনি বিতর্ক। রাহুল হাসিমুখে বিট্টুকে আরও প্ররোচিত করে বলেন, ‘আমার বিশ্বাসঘাতক বন্ধু! ঘাবড়ে যেও না। তুমি ঠিক কংগ্রেসে ফিরে আসবে।’ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তখন রীতিমতো রণংদেহী মূর্তিতে কংগ্রেস শিবিরের দিকে তর্জনী উঁচিয়ে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কংগ্রেস সাংসদরা চিৎকার শুরু করলে রাহুল নিজেই তাঁদের শান্ত করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের ঠিক আগে পাঞ্জাবের তিনবারের কংগ্রেস সাংসদ বিট্টু পদ্মশিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। পুরনো দলের প্রতি এই ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ রাহুল যে ভোলেননি, এদিন তা স্পষ্ট হয়ে গেল। অন্যদিকে বিট্টুও এর আগে রাহুলকে ‘দেশের এক নম্বর জঙ্গি’ বলে আক্রমণ করেছিলেন। মঙ্গলবারই ভারত-মার্কিন বাণিজ্য সমঝোতা নিয়ে সুর চড়ানোয় আটজন বিরোধী সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। সেই উত্তাপ বুধবারের এই ‘ব্যক্তিগত’ বাকযুদ্ধে অন্য মাত্রা যোগ করল। বিট্টু শেষ পর্যন্ত রাহুলের হাত না মিলিয়েই সেখান থেকে চলে যান। সংসদ চত্বরে দুই নেতার এই তিক্ততার ভিডিও এখন নেটপাড়ায় রীতিমতো ভাইরাল।

READ MORE.....