Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

শুভেন্দুর নিশানায় ‘বালি-সিন্ডিকেট

শুভেন্দুর নিশানায় ‘বালি-সিন্ডিকেট

নদীর বুকে গজিয়ে ওঠা বিতর্কিত নির্মাণ দেখে মেজাজ হারালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বীরভূমের তিলপাড়া সেতু সংলগ্ন এলাকায় কনভয় থামিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হলেন তিনি। ময়ূরাক্ষীর চরে বালি ও মাটির ওপর দিয়ে ভারি যান চলাচলের ব্যবস্থা দেখে শুভেন্দুর সরাসরি তোপ, ‘লুট কাকে বলে দেখুন। তিলপাড়া ব্রিজটাকে নিজেরাই ভেঙেছে। তারপর প্রাকৃতিক নদীর মাঝখানে কী করেছে দেখুন।’ রবিবার বীরভূমের ঠাসা কর্মসূচি শেষে সিউড়ি ফেরার পথে এভাবেই শাসকদলকে কড়া ভাষায় বিঁধলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

 

 

ময়ূরাক্ষী নদীর ওপর তিলপাড়া জলাধার ও সেতুটি গত বর্ষার বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফাটল দেখা দেয় ডিভাইডারে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বড় গাড়ি চলাচল নিষিদ্ধ হলেও অভিযোগ ওঠে, বীরভূম জেলা ট্রাক মালিক সমিতি কোনো টেন্ডার বা সরকারি অনুমতি ছাড়াই নদীতে কংক্রিটের ব্লক বসিয়ে সমান্তরাল পথ তৈরির চেষ্টা করে। সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই কাজ থমকে যায়। বর্তমানে সেখানে বালি-মাটি ফেলে যাতায়াত চলছে। শুভেন্দু এদিন নদী গর্ভে সেই বিতর্কিত পরিকাঠামো দেখিয়ে বলেন, ‘বীরভূম জেলায় কোটি কোটি টাকা লুট হচ্ছে। এদের মাথায় সরকারের হাত আছে, মুখ্যমন্ত্রীর হাত আছে। তাদের সাপোর্ট ছাড়া নদীর মাঝে এইভাবে ব্রিজ হতে পারে না।

 

 

বিজেপি এলে মে মাসে সব বন্ধ করে দেব। ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইবুনালের অর্ডার আছে, তা মানে না।’ এর আগে রামপুরহাটের গণপুর থেকে জনসভা করেন বিরোধী দলনেতা। সেখান থেকেই তিনি জেলার শাসক নেতাদের একহাত নেন। অনুব্রত মণ্ডল থেকে কাজল শেখ—সকলকেই ‘বালি চোর’ তকমা দেন তিনি। এরপর বাদ যাননি সাংসদ সামিরুল ইসলাম বা বিধানসভার উপাধ্যক্ষ আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ও। শুভেন্দুর আক্রমণাত্মক মেজাজে উঠে আসে নিয়োগ দুর্নীতির প্রসঙ্গও। সামিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, তাঁর ২২ জন আত্মীয় চাকরি পেয়েছে। ডিএম বিধান চাকরি বিক্রি করেছে বেছে বেছে।

 

 

সিউড়ির হাটজন বাজারে দীর্ঘ ১২ বছর পর রেল ওভারব্রিজের উদ্বোধন ঘিরেও রাজনৈতিক পারদ ছিল তুঙ্গে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ভার্চুয়ালি এর উদ্বোধন করেন। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে শুভেন্দু যেমন উন্নয়নের খতিয়ান দেন, তেমনই বগটুই কাণ্ড বা দেউচা-পাচামি নিয়ে তৃণমূল সরকারকে কোণঠাসা করেন। তাঁর হুঙ্কার, ‘যেভাবে দুর্নীতি করেছেন, ব্যাগ গোছান, আপনার নেতা কেষ্ট ঘুরে এসেছে, এবার আপনার পালা।’ জেলায় থমকে থাকা কর্মসংস্থান আর সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ দাগেন তিনি।

READ MORE.....