Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

হাজারের বেশি ফিদায়েঁ হামলাকারী প্রস্তুত, ভারতকে ফের হুমকি জইশ প্রধান মাসুদের

হাজারের বেশি ফিদায়েঁ হামলাকারী প্রস্তুত, ভারতকে ফের হুমকি জইশ প্রধান মাসুদের

ভারতের বুকে ফের নাশকতার কালো ছায়া। এবার সরাসরি হুমকি এল খোদ জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারের পক্ষ থেকে। রবিবার নেটমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি চাঞ্চল্যকর অডিয়ো বার্তায় মাসুদ দাবি করেছে, ভারতে রক্তক্ষয়ী আত্মঘাতী হামলা চালানোর জন্য তার হাতে এক হাজারেরও বেশি ‘ফিদায়েঁ’ বা আত্মঘাতী বাহিনী বর্তমানে প্রস্তুত রয়েছে।

 

এই অডিয়ো ক্লিপটি প্রকাশ্যে আসতেই গোয়েন্দা মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নয়াদিল্লি যদিও বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই বিচার করছে, তবে একে মাসুদের একপ্রকার প্রচার পাওয়ার মরিয়া চেষ্টাও মনে করা হচ্ছে। ভাইরাল হওয়া ওই অডিয়ো ক্লিপে দম্ভের সুরে মাসুদ আজহারকে বলতে শোনা গিয়েছে, এরা (আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী) একজন নয়, দু’জন নয়, 100 জনও নয়, এমনকি 1000 জনও নয়, যদি আমি পুরো সংখ্যাটা বলে দিই, তাহলে আগামিকাল বিশ্বের গণমাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়ে যাবে।

 

তার দাবি, ভারতের অভ্যন্তরে যে কোনও মুহূর্তে বড়সড় হামলা চালানোর জন্য এই প্রশিক্ষিত বাহিনী তৈরি। নিজের যোদ্ধাদের মানসিকতার কথা উল্লেখ করে সে আরও জানিয়েছে যে, তার সাঙ্গোপাঙ্গরা পার্থিব কোনও আরাম-আয়েশের ধার ধারে না। লক্ষ্যপূরণ তথা ভারতের ক্ষতি করার জন্য তারা হাসিমুখে ‘শাহদাত’ বা শহিদ হতেও পিছপা হবে না।

যদিও এই অডিয়ো ক্লিপের সময়কাল বা এর সত্যতা নিয়ে এখনও সরকারিভাবে কোনও শিলমোহর দেওয়া হয়নি। তবে মাসুদের এই হুমকিকে একেবারে উড়িয়ে দিতে পারছে না সাউথ ব্লক। ২০০১ সালের সংসদ ভবন হামলা কিংবা ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার মতো নারকীয় ঘটনার পিছনে মূল চক্রী হিসেবে বারবার নাম উঠে এসেছে এই জইশ প্রধানের। রাষ্ট্রপুঞ্জের খাতায় সে ইতিমধ্যেই একজন তালিকাভুক্ত আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী। দীর্ঘ সময় ধরে পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করে ভারতের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্রের জাল বুনে চলেছে এই মাসুদ।

সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর ধাক্কায় জইশ-ই-মহম্মদ অনেকটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। পহেলগাঁও হামলায় বদলা নিতে গিয়ে ভারতীয় বাহিনী জঙ্গিগোষ্ঠীটির যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে, তাতে মাসুদের শক্তি অনেকটাই কমেছে। ফলে সংগঠনের ভাঙা মনোবল ফেরাতে এবং নিজের অস্তিত্ব জাহির করতেই সে এমন প্ররোচনামূলক ও ফাঁকা হুঙ্কার দিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে সীমান্তে নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা নজরদারি ইতিমধ্যেই বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন। দিল্লির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যে কোনও ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে ভারতীয় সেনা সর্বদাই প্রস্তুত।

READ MORE.....