ভবানিপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২৬’র বিধানসভা হারবেন। শনিবার ধনতরাসের দিন সন্ধ্যায় আসানসোলে বড়তোড়িয়ার মোড়ে বড়তোড়িয়া কালিমন্দিরে কালিপুজোর উদ্বোধনে এসে আবারও এইকথা বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সন্ধ্যায় তিনি দলের রাজ্য নেতা কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়, আসানসোল জেলা সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য সহ অন্য নেতা ও কর্মীদের উপস্থিতিতে প্রথমে ফিতে কেটে ও পরে প্রদীপ জ্বালিয়ে এই পুজোর উদ্বোধন করেন।
পরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একাধিক বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সমালোচনা করেন। এর পাশাপাশি তিনি দুর্গাপুরের ধর্ষণ কান্ড সহ বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পরে, সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানিপুরে হারবেন। তিনি গোটা ভারতীয়দের অপমান করেছেন।
ভবানিপুরে ৯০ শতাংশ বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের বাস। তাই এখন ভোটের কথা কারোর পরামর্শে ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করছেন। তা আর হবে না। শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী হিন্দিতে কথা বলা হিন্দু ও বাংলায় কথা বলা হিন্দুদের মধ্যে ভেদাভেদ তৈরির চেষ্টা করছেন। তিনি কোনদিন রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারী মুসলিমদের নিয়ে কথা বলেন না। তিনি একজন রেজিস্ট্রার লায়ার। সবসময় মিথ্যে কথা বলেন। দুর্গাপুরের ঘটনা নিয়ে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে বললেন, মেয়েরা যেন রাতে বাড়ির বাইরে না বেরোন।
পরে বুঝলেন কেলেঙ্কারি হয়েছে। তখন তিনি বাগডোগরা বিমানবন্দরে বললেন, আমার বক্তব্য বিকৃত করা হয়েছে। অথচ সংবাদ মাধ্যমের সাহায্যে সবাই শুনেছেন তিনি কি বলেছেন। আমি তার বক্তব্য পোস্ট করেছি। আসল কথা হলো তিনি সবসময় এই ধরনের মিথ্যে কথা বলেন।
এদিন তিনি আসানসোলে কালিপুজোর উদ্বোধন থেকে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে হিন্দুত্বে শান দেন। তিনি বলেন, হিন্দুরা কমজোর নয়। ইউসুফ পাঠানের মতো সাংসদেরা যতই উস্কানিমূলক পোষ্ট করুন না কেন, কোন লাভ নেই।















