উত্তেজনার পারদ চড়ছিল ক্রিকেট বিশ্বে। কিন্তু সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শাহবাজ় শরিফ সরকার সাফ জানিয়ে দিল, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে না পাকিস্তান। টুর্নামেন্টের বাকি দলগুলোর সাথে খেললেও ১৫ ফেব্রুয়ারির ব্লকবাস্টার ম্যাচ বয়কট করছে তারা। রবিবার অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ভারত-পাক দ্বৈরথ চলাকালীন এই বিস্ফোরক ঘোষণা করা হয়। এক্স হ্যান্ডলে পাকিস্তান সরকার জানায়, ‘পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে না পাকিস্তান।
’সরকারের এই সিদ্ধান্ত এবার আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে জানাবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের পাকিস্তানে না যাওয়ার পাল্টা হিসেবেই কি এই পদক্ষেপ? প্রশ্ন উঠছে ক্রিকেট মহলে। আইসিসি আগেই জানিয়েছিল, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তানে ভারতের খেলা বা ভারতে পাকিস্তানের খেলার বিষয়টি এড়াতে হাইব্রিড মডেলে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ রাখা হবে। কিন্তু সেই সমঝোতাও ভেস্তে দিল ইসলামাবাদ।
গ্রুপ এ-তে থাকা ভারত-পাকিস্তানের সাথে আছে আমেরিকা, নেদারল্যান্ডস ও নামিবিয়া। বাকিদের সাথে সলমন আলি আঘাদের খেলতে বাধা নেই। তবে বড় ম্যাচের আগে এই সিদ্ধান্তে বিপাকে পিছিবি। আইসিসির সাথে হওয়া হাইব্রিড চুক্তির শর্ত ভাঙায় বড়সড় শাস্তির মুখে পড়তে পারে পাকিস্তান। পয়েন্ট কাটা যাওয়া থেকে শুরু করে নির্বাসনের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। জয় শাহের নেতৃত্বাধীন আইসিসি এখন এই বিষয়ে কী কড়া পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে ক্রিকেট দুনিয়া। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই মাঠের বাইরের রাজনীতিতে ফের ফিকে হয়ে গেল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লড়াইয়ের রোমাঞ্চ।















