Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক; ৫ আগস্ট পাতিয়ালা হাউস কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি

অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক; ৫ আগস্ট পাতিয়ালা হাউস কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি

নিচে নিরপেক্ষ, অভিযোগ-আরোপিত (attribution-based) ভঙ্গিতে বাংলায় অনুবাদ করা হলো

*নয়াদিল্লি:* অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা (ABHM)-র নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিনের আইনি ও প্রশাসনিক বিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ শুনানি আগামী *৫ আগস্ট* নয়াদিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সংগঠনের নির্বাচিত সদস্যদের জারি করা এক প্রেস বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে যে, ঐতিহাসিক ও সামাজিক-রাজনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা গত প্রায় দুই দশক ধরে অননুমোদিত ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তাঁদের দাবি, হিন্দু মহাসভার সম্পদ ও নথিপত্রের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাকারী স্বামী চক্রপাণী মহারাজের পরিচয় এবং সংগঠনের সদস্যপদ সম্পর্কিত বিষয়গুলির নিরপেক্ষ বিচারিক তদন্ত হওয়া উচিত।

প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, *২০০৬ সালে* শ্রী দীনেশ চন্দ্র ত্যাগী সংগঠনের বৈধ জাতীয় সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। তাঁর দাবি, নেতৃত্ব নিয়ে আইনি বিরোধ চলাকালীনও স্বামী চক্রপাণী নিজেকে নির্বাচন কমিশন ও সংবাদমাধ্যমের সামনে মহাসভার অনুমোদিত পদাধিকারী হিসেবে উপস্থাপন করেন। নির্বাচিত সদস্যদের অভিযোগ, এর ফলে সংগঠনের নাম ও সুনাম ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বিষয়টি কেবল একটি অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক বিরোধ নয়; বরং এটি একটি ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং জনআস্থার সঙ্গে জড়িত। তাই নেতৃত্ব-সংক্রান্ত সমস্ত নথিপত্রের স্বচ্ছ বিচারিক তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি *৫ আগস্ট, ২০২৬* তারিখে নির্ধারিত রয়েছে।

প্রেস বিবৃতিতে স্বামী চক্রপাণী মহারাজের পরিচয় সম্পর্কেও একাধিক প্রশ্ন তোলা হয়েছে। নির্বাচিত সদস্যদের দাবি, আদালতে জমা দেওয়া নথি অনুযায়ী *২০০৫ সালের একটি রেশন কার্ডে* চক্রপাণী মহারাজকে বি. লালের পুত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং সেখানে তাঁর জন্মসাল *১৯৩৩* বলা হয়েছে। অন্যদিকে, *২০০৭ সালে ইস্যু হওয়া একটি পাসপোর্টে* তাঁর জন্মসাল *১৯৭৫* এবং পিতামাতার নাম *জনার্দন দেব* ও *শ্যাম প্যারি দেবী* উল্লেখ রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এছাড়া, একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তির উল্লেখ করে দাবি করা হয়েছে যে সেখানে বি. লালের পুত্র রাজেশ শ্রীবাস্তবের নাম পরিবর্তন করে স্বামী চক্রপাণী মহারাজ করা হয়েছে, তবে ওই গেজেটে থাকা তথ্য রেশন কার্ড ও পাসপোর্টের তথ্যের সঙ্গে মিল নেই বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রেস বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়েছে যে, *২০১২ সালের জন্ম সনদ* এবং *২০২২ সালে পুনরায় ইস্যু হওয়া পাসপোর্টেও* পরিচয় ও পিতৃত্ব সংক্রান্ত তথ্যের অসঙ্গতি রয়েছে। নির্বাচিত সদস্যদের অভিযোগ, আদালতে এখনও পর্যন্ত স্বামী চক্রপাণী মহারাজের মূল জন্মপরিচয় প্রতিষ্ঠা করে এমন নির্ভরযোগ্য নথি উপস্থাপন করা হয়নি। পাশাপাশি, তাঁদের দাবি, একাধিক পরিচয়পত্রে স্থায়ী ঠিকানার পরিবর্তে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার নিবন্ধিত কার্যালয়ের ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রেস বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, গত কয়েক বছরে সংগঠনের সদস্যপদ ও নির্বাচন-সংক্রান্ত বিষয়গুলি আদালতে পূর্ণাঙ্গভাবে পর্যালোচনা করা হয়নি। নির্বাচিত সদস্যদের আরও দাবি, স্বামী চক্রপাণী কর্তৃক *২০১২* এবং *২০২২ সালে* সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এছাড়া, ধর্মীয় সংগঠন সংক্রান্ত ঘটনাবলির উল্লেখ করে তাঁরা দাবি করেছেন যে *২০১৮ সালে* অখিল ভারতীয় আখাড়া পরিষদ স্বামী চক্রপাণীকে কালো তালিকাভুক্ত করলেও পরবর্তীতে *জুনা আখাড়া* তাঁকে জগদগুরু শঙ্করাচার্য ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য, প্রেস বিবৃতিতে উত্থাপিত অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন। প্রেস বিবৃতিতে স্বামী চক্রপাণী মহারাজ বা তাঁর প্রতিনিধিদের কোনও প্রতিক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

প্রয়োজনে এটিকে আরও সংবাদপত্র বা টিভি নিউজ স্ক্রিপ্টের উপযোগী বাংলা ভাষায়ও রূপান্তর করে দিতে পারি।

READ MORE.....