শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায় নাম জড়াল তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।সিআইডি হেফাজতে থাকা তাঁর আপ্তসহায়ক সুমিত রায় দীর্ঘ জেরায় ভেঙে পড়ে গোপন জবানবন্দিতে স্বীকার করেছেন বলে সূত্রের খবর, যা কিছু করা হয়েছে তা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই। ফলে এই মামলায় এখন সিআইডির নজরে খোদ তৃণমূল সাংসদ, এবং শীঘ্রই তাঁকে জেরার মুখে পড়তে হতে পারে বলে জল্পনা শুরু হয়েছে।কয়েকদিন আগে খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাসভবন থেকে সুমিত রায়কে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। অভিযোগ, শালবনি এলাকায় সরকারি খাস জমি ভুয়ো নথি তৈরি করে বিক্রি করে দেওয়া হতো, যার নেপথ্যে ছিল কোটি কোটি টাকার লেনদেন।
এই মামলায় প্রথমে গ্রেপ্তার হন প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরা। তাঁকে জেরা করেই তদন্তকারীরা সুমিত রায়ের সন্ধান পান। চার্জশিটে বলা হয়েছে, কেলেঙ্কারির টাকা সুজয়ের মাধ্যমে সুমিতের অফিসে পৌঁছত। অভিষেকের দুই দেহরক্ষীর বয়ান এবং সুজয়ের গাড়িচালকের জিজ্ঞাসাবাদ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।জানা গিয়েছে, বিএনএসএস আইনের ১৮০ ধারায় সিআইডির কাছে জবানবন্দি দিয়েছেন সুমিত রায়।
সরকারি আইনজীবী সৈয়দ নাজিম হাবিব আদালতে জানান, হেফাজতে জেরায় প্রচুর তথ্য মিলেছে এবং তাঁর বয়ান-স্বীকারোক্তি রেকর্ড করা হয়েছে। মোবাইল ফোনও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অন্য ধৃতদের সঙ্গে মুখোমুখি বসিয়েও তাঁকে জেরা করা হয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। অভিযুক্তপক্ষের জামিনের আবেদন খারিজ করে আগামী ২৪ তারিখ পর্যন্ত সুমিত রায়কে পাঁচ দিনের সিআইডি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।














