আসন্ন উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আসন বণ্টনের আনুষ্ঠানিক বৈঠকের আগেই চাপ ও পাল্টা চাপের মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে সমাজবাদী পার্টি (এসপি) এবং কংগ্রেস। প্রকাশ্যে দুই দলের শীর্ষ নেতৃত্ব জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী দাবি করলেও ভেতরে ভেতরে একে অপরকে চাপে রাখতে বিকল্প পথের ইঙ্গিত দেওয়া শুরু করেছে। তবে উভয় পক্ষের নেতাদের দাবি, প্রাথমিক স্তরের এই সংঘাত ও দর কষাকষি নিছকই রাজনৈতিক কৌশল; আসন রফার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দুই দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বই। কংগ্রেসের কাছে এই দর কষাকষি মূলত উত্তরপ্রদেশে নিজেদের হৃত গৌরব ও রাজনৈতিক অস্তিত্ব পুনর্গঠনের লড়াই।
বর্তমানে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় কংগ্রেসের মাত্র দু’জন বিধায়ক থাকলেও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে দলটির ঝুলিতে এসেছিল ছ’টি আসন। সেই ভরসায় ভর করেই হিন্দি বলয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই রাজ্যে নিজেদের পুনরুত্থানের জন্য সম্মানজনক আসন দাবি করছে হাত শিবির। অন্য দিকে, লোকসভা নির্বাচনে একাই ৩৭টি আসন জিতে রাজ্যের প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা সমাজবাদী পার্টির সামনে প্রশ্ন—ছোট শরিক কংগ্রেসকে ঠিক কতটা জায়গা ছাড়া বাস্তবসম্মত হবে। যে জোট সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনে বিরোধীদের দীর্ঘদিনের সেরা সাফল্য উপহার দিয়েছিল, সেই নির্বাচনী রসায়নকে টিকিয়ে রেখে আসন সমঝোতার অঙ্ক মেলানোই এখন অখিলেশ যাদব ও রাহুল গান্ধীর প্রধান চ্যালেঞ্জ।














