বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল গঙ্গাসাগর মেলা। এই ঐতিহ্যবাহী মেলা চলবে আগামী ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। বুধবার সকাল থেকেই গঙ্গাসাগরের উপকূলে উত্তুরে হাওয়ার সঙ্গে কুয়াশার দাপট দেখা যায়। প্রবল শীতের কারণে সকালবেলা সাধু-সন্ত থেকে শুরু করে পুণ্যার্থীরা আগুন পোহাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তবে বেলা বাড়তেই সূর্যের দেখা মিললে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরে মেলার পরিবেশ।
দিন গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই রঙিন আলোকমালায় সেজে উঠছে গোটা গঙ্গাসাগর মেলা প্রাঙ্গণ। কপিলমুনির মন্দিরও আলোর সাজে ঝলমলে হয়ে উঠেছে। এ বছর কুম্ভমেলা না থাকায় প্রশাসনের অনুমান, গত বছরের তুলনায় গঙ্গাসাগরে পুণ্যার্থীর সংখ্যা আরও বাড়বে। ইতিমধ্যেই গত ডিসেম্বর মাস থেকেই ভিন রাজ্যের পুণ্যার্থীদের আগমন শুরু হয়েছে।
দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি তথা গঙ্গাসাগর-বকখালি উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান শ্রীমন্ত মালি জানান, মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে পরিদর্শন করেছেন এবং প্রস্তুতিতে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা, থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থায় কোনও খামতি রাখা হচ্ছে না বলে জানান তিনি।
পুণ্যার্থীদের সুবিধার জন্য অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থায় বাঁশ ও হোগলা দিয়ে প্রায় এক লক্ষেরও বেশি যাত্রী শেড ও তাঁবু তৈরি হয়েছে। আগামী ১৪ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তির পুণ্য তিথিতে দুপুর ১টা ১৪ মিনিট থেকে ১৫ জানুয়ারি দুপুর ১টা ১৪ মিনিট পর্যন্ত পুণ্যস্নানের সময় নির্ধারিত রয়েছে। এই সময়ে স্নান ও কপিলমুনির পুজো দিতে দেশজুড়ে থেকে পুণ্যার্থীরা গঙ্গাসাগরে ভিড় করবেন।












