কলকাতার ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত রোজগার মেলায় যোগ দিয়ে মমতাপন্থী তৃণমূল শিবিরকে তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার। এই মেলা থেকে সারাদেশে ৫১ হাজারের বেশি নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়, কলকাতার অনুষ্ঠানেও বহু চাকরিপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান চত্বরেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক ইস্যুতে মুখ খোলেন তিনি।নন্দীগ্রামের পর রেজিনগর উপনির্বাচনেও শাসকদলের প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে সুকান্তবাবু বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের এখন এক্সপায়ারি ডেট পার হয়ে গেছে।
রাজ্য সভাপতি থাকাকালীন তাঁকে ও দলীয় কর্মীদের সবচেয়ে বেশি হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল বলে দাবি করে তিনি বলেন,আমরা তো তৃণমূলের পার্টি অফিস সব ভেঙে দিতে পারতাম, যেরকম উনি করেছিলেন, কিন্তু আমরা সেই সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করি না। একুশের বিধানসভা ভোটের পর ভবানীপুরে বিজেপির পার্টি অফিস পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।তৃণমূলের প্রতীক জোড়াফুল ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়ে সুকান্তবাবু বলেন, একই প্রতীকের দাবিদার দুই পক্ষ থাকায় কমিশন যথাযথ সিদ্ধান্তই নিয়েছে। দুই কেন্দ্রেই বিজেপি জয়ী হবে বলে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।
আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। শনিবার ছিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। এর আগে শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করতে নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন। মিলন প্রধানের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে সুকান্তবাবু বলেন, একাধিক মামলা থাকায় গ্রেপ্তার হয়েছেন, আদালতই বিষয়টি দেখবে। রাহুল গান্ধী প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কংগ্রেস কর্মীদের উপর অত্যাচারের সময় নীরব থাকলেও এখন সরব হয়েছেন তিনি।














