এবার এসআইআর হিয়ারিং নোটিশ বিধায়ক জাকির হোসেনকে। নোটিশ হাতে পেয়েই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ব্যক্ত করলেন জঙ্গিপুরের বিধায়ক। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও এবং সবকিছু নথি ঠিক থাকার পরেও কেন নোটিশ পাঠানো হয়েছে তা নিয়ে সরব হয়েছেন জাকির হোসেন।
বিধায়ক জাকির হোসেন সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান, তাঁর নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকাতে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবেও পরিচিত এবং নিয়মিতভাবে সরকারকে কর প্রদান করে আসছেন। তাঁর কথায়, ‘আমি একজন জনপ্রতিনিধি, পাশাপাশি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। আমার সমস্ত নথি, পরিচয়পত্র ও রেকর্ড প্রশাসনের কাছে রয়েছে। তাহলে কেন আমাকে হিয়ারিং লাইনে দাঁড়াতে হবে?’ জাকির হোসেন আরও বলেন, সাধারণ মানুষের পাশাপাশি এখন জনপ্রতিনিধিদেরও এইভাবে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে, যা কমিশনের ভূমিকা ওপর প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করছে।
তাঁর অভিযোগ, এসআইআর-এর নামে অকারণে মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে এবং এই প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি করছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই স্থানীয় বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও) বিধায়ক জাকির হোসেনের হাতে হিয়ারিং নোটিশ তুলে দিয়েছেন। আগামী সপ্তাহে বিডিও অফিসে হিয়ারিং অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। যদি একজন বিধায়ক ও দীর্ঘদিনের ভোটারকে এইভাবে নোটিশ পাঠানো হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি কতটা জটিল হতে পারে, প্রশ্ন বিধায়কের।















