তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ও জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীরের ছেলে গোলাম নবি আজাদ ওরফে রবীনকে ঘিরে এদিন দিনভর উত্তেজনা ছড়াল রাজ্য রাজনীতিতে। হুমায়ুনের নিরাপত্তারক্ষী এক পুলিশ কনস্টেবলকে মারধরের অভিযোগে রবীনকে আটক করে শক্তিনগর থানার পুলিশ। প্রায় ৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
তৃণমূল পরিচালিত বেলডাঙা-২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ রবীনকে এদিন তাঁর বাড়ি থেকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের দাবি, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করা হলেও কারিগরি সমস্যায় তা সম্ভব হয়নি। তাই ডিভিআর ও স্টোরেজ ডিভাইসটি সাইবার ফরেন্সিক ল্যাবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দেখছেন হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেন, শাসকদলের বিরুদ্ধে গিয়েছি বলে এসব ছোটখাটো ঘটনা ঘটবেই। ৪৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনে আমি এসবে অভ্যস্ত। অন্যদিকে, এই ইস্যুতে তৃণমূলকে বিঁধেছে বিরোধীরা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, পিসি-ভাইপোর বিরুদ্ধে কথা বললেই পুলিশ লেলিয়ে দেওয়া হয়। সিপিএমের মহম্মদ সেলিমের মতে, বিরোধীদের মামলায় জড়ানো তৃণমূল-বিজেপির পুরনো কৌশল।
পাল্টা জবাবে তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, অন ডিউটি পুলিশকর্মীকে মারলে পুলিশ কি রসগোল্লা খাওয়াবে? হুমায়ুন নিজেই স্বীকার করেছেন যে তাঁর ছেলে পুলিশকর্মীকে মেরেছেন এবং তিনি নিজে তাঁকে ঘাড় ধাক্কা দিয়েছেন, ফলে আইন আইনের পথেই চলবে।












