Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

বন্দেমাতরম এবং বঙ্কিমচন্দ্রকে অপমান করার অপরাধে ক্ষমা চাওয়া উচিত সোনিয়া গান্ধীর, হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

বন্দেমাতরম এবং বঙ্কিমচন্দ্রকে অপমান করার অপরাধে ক্ষমা চাওয়া উচিত সোনিয়া গান্ধীর, হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

পবিত্র স্বাধীনতা দিবসের দিনে যেভাবে কংগ্রেস সদর দপ্তরে কংগ্রেসের মালিক সোনিয়া গান্ধী বন্দেমাতরম গানের পুরোটা গাইতে অস্বস্তি বোধ করেছেন বলে গোটা দেশবাসী দেখেছেন, তাতে অপমান জানানো হয়েছে বন্দেমাতরম গান এবং তার স্রষ্টা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কে। এর জন্য দেশবাসীর আবেগে যে আঘাত করেছেন তিনি অবিলম্বে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত।’ রবিবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে এমন দাবি তুললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রসঙ্গত, স্বাধীনতা দিবসের দিন দিল্লিতে কংগ্রেস কার্যালয়ে ‘বন্দে মাতরম’ বিতর্ক শুরু হয়েছে। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে পুরো বন্দে মাতরম গাইতে বাধা দিয়েছেন সনিয়া গান্ধী, এমনই অভিযোগ করেছে বিজেপি।

 

যদিও নেত্রী খাড়গের জন্য চেয়ার খুঁজছিলেন, পাল্টা বক্তব্য রেখেছেন জয়রাম রমেশ। অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সামনে আসার পর বিজেপির অভিযোগ, জাতীয় সঙ্গীত নয়, জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ পুরোটা গাওয়া বা বাজানো নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। ভিডিওতে সোনিয়া গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং পরে রাহুল গান্ধীর কিছু ভঙ্গি নিয়েই শুরু হয়েছে এই বিতর্ক। এই নিয়ে রবিবার দুপুরে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। পুরো বন্দে মাতরম গাওয়ায় সোনিয়া গান্ধির বিরক্তি সবাই দেখেছে, কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। বিশেষ ভোট ব্যাঙ্ককে সন্তুষ্ট করতেই এমনটা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, এই বিষয়ে কংগ্রেস হাইকমান্ডের ক্ষমা চাওয়া উচিত। শুভেন্দু বলেন, ‘বন্দে-মাতরম জাগরণের মঞ্চ।

 

যে ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে তাতে সত্যকে ধামাচাপা দেওয়ার কোনও উপায় কংগ্রেসের নেতাদের কাছে নেই। বন্দে-মাতরম তাঁর সার্ধশত বছর চলছে। বন্দে-মাতরমকে সম্মান দেওয়া হচ্ছে। বন্দেমাতরমকে নিয়ে নির্দিষ্ট আইন আনা হয়েছে। আমি সরকারি স্কুলে বন্দেমাতরম বাধ্যতামূলক করেছি। বন্দেমাতরম বিপ্লবীদের সঞ্জীবনী মন্ত্র ছিল। একে অপমান মানে দেশপ্রেম ও সর্বপরি বঙ্কিমচন্দ্রকে অপমান করা। আমি বাংলার ভূমি থেকে তীব্র নিন্দা করছি। ইতিমধ্যে বঙ্কিমচন্দ্রের পরিবারের পক্ষ থেকে সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় সনিয়া গান্ধীকে চিঠি লিখেছেন। পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেসের কোনও ক্ষমতা নেই বিরোধিতা করা। এদের থেকে কিছু আশা করব না। তবে সনিয়া গান্ধীর কাছ থেকে তাঁদের প্রতিক্রিয়া আশা করব।’

READ MORE.....