ফের একবার রাজ্যে কেন্দ্রীয় সংস্থার সক্রিয়তা। অনলাইন প্রতারণার তদন্তে সোমবার সকাল থেকেই কোমর বেঁধে ময়দানে নামল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গ, বাদ গেল না হাওড়া বা দুর্গাপুরও। সোমবার সাতসকাল থেকেই রাজ্যের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি অভিযান চালায় তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, মূলত বেআইনি কল সেন্টার খুলে কোটি কোটি টাকা হাতানোর অভিযোগেই এই জোরালো হানা। এদিন সকালে ইডির একটি দল পৌঁছে যায় কলকাতার বোড়ালে। একইসঙ্গে শিলিগুড়ি ও তার সংলগ্ন এলাকায় শুরু হয় তল্লাশি। বাদ পড়েনি শিল্পাঞ্চল দুর্গাপুর ও হাওড়াও।
ঠিক কোন মামলার প্রেক্ষিতে এই অভিযান, তা নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও আধিকারিকদের নজরে রয়েছে ‘বেআইনি কল সেন্টার’। অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে ডিজিটাল ফাঁদে ফেলে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বিপুল অর্থ। অতীতেও বেনিয়াপুকুর বা কৈখালির অভিযানে কয়েকশো কোটি টাকার হদিস পেয়েছিলেন তদন্তকারীরা। এবারের অভিযানে এখনও পর্যন্ত কী কী নথি বা সম্পদ উদ্ধার হল, তা নিয়ে মুখ খোলেননি আধিকারিকেরা। তবে ভুয়ো কল সেন্টারের মাধ্যমে জালিয়াতির জাল যে অনেক গভীরে ছড়িয়ে, সোমবারের এই মেগা তল্লাশি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। ‘ভুয়ো কল সেন্টার খুলে বিভিন্ন জনকে প্রতারিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ পেয়েছিল ইডি’। সেই অভিযোগের সুতো ধরেই এখন জাল গোটানোর মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।














