Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

মুর্শিদাবাদে বন্যা আতঙ্কে ভুগছে পদ্মা তীরবর্তীর মানুষ

মুর্শিদাবাদে বন্যা আতঙ্কে ভুগছে পদ্মা তীরবর্তীর মানুষ

ফারাক্কা ব্রিজের বিপদ সীমার ওপর দিয়ে বইছে জল আতঙ্ক। রঘুনাথগঞ্জ-২ নম্বর ব্লকের সেকেন্দ্রা,মিঠিপুর,বড়শিমুল, ও সেখালিপুর গ্রামপঞ্চায়েতের বেশ কিছু এলাকায় বন্যার আশঙ্কা বাড়ছে। জলস্তর আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ইতিমধ্যে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। মঙ্গলবার এটি সর্বোচ্চ বিপদসীমা ছাড়িয়ে যায়। ফলে পদ্মা তীরবর্তী বিভিন্ন গ্রামে নিচু নালা দিয়ে পদ্মার জল প্রবেশ করে। বালির বস্তা দিয়ে প্রতিরোধ করার কোনো উপায় নেই কারণ ভরা পদ্মায় কোথাও বালি পাওয়া যাচ্ছে না। গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য মুনিরুল ইসলাম বলেন, পাথরের বস্তা দিয়ে নিচু জায়গায় বাঁধ দেওয়া হলেও জল সেখান দিয়ে প্রবেশ করছে।

 

পদ্মার জলস্তরও সর্বোচ্চ বিপদসীমা ছাড়িয়েছে, যা সর্বোচ্চ বিপদসীমার ৪ সেন্টিমিটার উপরে। এর ফলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। নিকাশি নালার মধ্য দিয়ে জল গ্রামে প্রবেশ করতে শুরু করে। মঙ্গলবার থেকে পদ্মার জলস্তর বাড়ার কারণে এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।পদ্মার জল বিপদ সীমার ওপর দিয়ে বইছে, যার ফলে ব্লক প্রশাসনের পক্ষ হইতে পদ্মা তীরবর্তী এলাকায় মাইকিং শুরু করেছে। কিন্তু যেভাবে জলের গতিবেগ এবং পদ্মায় জলস্তর বাড়ছে তাতে বন্যার আশঙ্কা প্রবল।

 

রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক তথা বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আখরুজ্জামান বলেন, আমি শুনেছি বেশকিছু গ্রামে গঙ্গা এবং পদ্মা নদীর জল ধীরে ধীরে প্রবেশ করছে। তবে নদীতে জল বাড়লেও যাতে সাধারণ মানুষের বেশি ক্ষয়ক্ষতি না হয় সেদিকে আমরা নজর রাখছি। নদীর জল বেড়ে বড় বিপর্যয় হলে গ্রামবাসীদের ত্রাণ দেওয়া হবে এবং তাদেরকে নিকটবর্তী স্কুলে এনে রাখার ব্যবস্থা করা হবে। আমরা সবসময় মানুষের পাশে রয়েছি। এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় সর্বদা সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে। মন্ত্রী আরও বলেন বন্যা কবলিত এলাকায় যদি কোন মানুষ বিপদে পড়ে এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থাকে তাহলে তাদের সাহায্যের জন্য বিপর্যয় মোকাবিলা টিম সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

READ MORE.....