শালতোড়ায় পাথর শিল্প পুনরায় চালু করার আশা নিয়ে শনিবার কলেজ মাঠে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়। বাঁকুড়ার শালতোড়ার ৩০–৪০ হাজার মানুষ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে পাথর শিল্পের সাথে জীবিকা নির্বাহ করে। ২০২০ সাল থেকে বন্ধ এই শিল্প আবার চালু করার দাবি নিয়ে ক্রাশার মালিক, খাদান মালিক ও শ্রমিকরা বারবার আন্দোলন করেছে। লোকসভা নির্বাচনের আগে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে পাঁচটি খাদান ও প্রায় ২৫০ ক্রাশারের মধ্যে কয়েকটি চালু হয়, তবে সব খাদান এখনো বন্ধ রয়েছে।
সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, খাদান ও কারখানা চালু করতে অনেক সময় ও আর্থিক ব্যয় লাগে। তবে শালতোড়ায় ১৩৩ একর খাসজমি রয়েছে, যা খাদান চালুর জন্য উপযুক্ত। এদিনই তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৩১ মার্চের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। শ্রমিকরা যদিও আশ্বাস শুনে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হননি, তবুও এ পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
অভিষেক সভায় বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন এবং বলেন, তৃণমূল জিতলে দুমুঠো ভাত, বিজেপি জিতলে ধর্মে সংঘাত। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের ও প্রাক্তন সাংসদদের উদাহরণ দিয়ে তৃণমূল সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ তুলে ধরেন। শালতোড়ার ব্লক তৃণমূল সভাপতি সন্তোষ মন্ডল ও সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী জানান, কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রণালয় থেকে ছাড়পত্র না মেলায় কিছু খাদান এখনও বন্ধ। তবে সাংসদ ও মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে অনুমোদনপ্রাপ্ত পাঁচটি খাদান ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে এবং বাকিগুলোর ছাড়পত্রও আশা করা হচ্ছে।
শালতোড়ার পাথর শিল্প আবার জীবন্ত হলে এলাকার মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি হবে, যা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকার পর খুব প্রয়োজনীয়।












