মিছিলে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। মিছিলের পর আয়োজিত সভা থেকে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। হুমায়ুনের ‘ভাগীরথী’ মন্তব্য নিয়ে তাঁর কটাক্ষ, “৩০ ভাগকে ভাগীরথীর জলে ভাসাবে বলেছিল। এখন নিজেই নাকের জলে চোখের জলে ভাসছে।” মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, বিজেপি সংখ্যালঘুদের ভোট পায় না, এই ‘মিথ’ ভেঙে দিয়েছে রেজিনগরের মানুষ। নরেন্দ্র মোদির জয়রথে শামিল হতে সংখ্যালঘুরাও মূলস্রোতে থাকতে চাইছেন বলে মত শুভেন্দুর।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে নওদা ও রেজিনগর দুটি কেন্দ্রেই জয়ী হন হুমায়ুন কবীর। নিয়ম মেনে রেজিনগর কেন্দ্রটি ছেড়ে দেন তিনি। ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচনে হুমায়ুনের ছেলে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হন। রেজিনগরে দাঁড়িয়েই ‘হিন্দুদের কেটে ভাগীরথীর জলে ভাসিয়ে দেবো’ বলে মন্তব্য করেছিলেন হুমায়ুন। তাঁর এই মন্তব্য নিয়ে উত্তপ্ত হয় রাজ্য রাজনীতি। যদিও রেজিনগরে ৭০ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটার থাকা সত্ত্বেও উপনির্বাচনে হেরে যান হুমায়ুনের ছেলে। হার নিশ্চিত জেনে ফলাফলের আগেই রাজনীতি থেকে অবসর ঘোষণা করেন হুমায়ুন। কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। হুমায়ুনের এই কান্না নিয়ে এদিন কলকাতা থেকে কটাক্ষ করলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “৩০ ভাগকে ভাগীরথীর জলে ভাসাবে বলেছিল। এখন নিজেই নাকের জলে চোখের জলে ভাসছে।”














