Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

আইপ্যাক-কাণ্ডে জের ? সিজিও-র পাহারায় এবার বন্দুকধারী আধাসেনা

আইপ্যাক-কাণ্ডে জের ? সিজিও-র পাহারায় এবার বন্দুকধারী আধাসেনা

আইপ্যাক-কাণ্ডের আবহেই কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) দফতরের নিরাপত্তা এক ধাক্কায় কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। এত দিন এই চত্বরের পাহারার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থা। এবার সেই দায়িত্বভার তুলে দেওয়া হয়েছে সিআরপিএফ জওয়ানদের হাতে। মূলত গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথিপত্রের গোপনীয়তা এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে। সিবিআই নিউটাউনে সরে যাওয়ার পর থেকে বিধাননগরের সিজিও কমপ্লেক্স এখন মূলত ইডির ঠিকানা। এতদিন সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বদলে বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষীরাই কর্মরত ছিলেন।

 

তবে সাম্প্রতিক ঘটনাক্রমের প্রেক্ষিতে সেই ব্যবস্থায় বদল আনা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, বর্তমানে ইডির হাতে একাধিক হেভিওয়েট মামলার তদন্তভার রয়েছে। সেই সব তদন্তের অসংখ্য গোপন ও সংবেদনশীল নথি এখন এই দফতরেই জমা রয়েছে। ফলে সেই নথিগুলির নিরাপত্তার স্বার্থে কোনওরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ কেন্দ্র। আপাতত সিজিও কমপ্লেক্সের দুটি প্রধান প্রবেশদ্বারে মোট ১২ জন সিআরপিএফ জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিটি গেটে ছয় জন করে জওয়ান চব্বিশ ঘণ্টা পাহারায় থাকছেন। সম্প্রতি ইডি এবং সিআরপিএফের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একটি বিশেষ বৈঠকে বসেছিলেন।

 

সেই বৈঠকের পরেই বেসরকারি সংস্থাকে সরিয়ে আধাসেনা মোতায়েনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কাকতালীয়ভাবে, আইপ্যাকের অফিসে ইডি তল্লাশিতে বাধা এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফাইল ‘ছিনিয়ে’ নিয়ে যাওয়ার বিতর্কিত ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই সিজিও-র পাহারায় বদল এল। যদিও কেন্দ্রীয় সূত্রের দাবি, এই বাহিনীর রদবদল স্রেফ একটি সমাপতন এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে, আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বিরুদ্ধে তদন্তে এবার নতুন মোড় এসেছে।

 

ইডি অফিসাররা লাউডন স্ট্রিটে প্রতীকের বাসভবনের আশেপাশে থাকা প্রতিবেশীদের তলব করেছেন। জানা গিয়েছে, ওই আবাসনের বাসিন্দা এবং পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকেদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তল্লাশির দিন সেখানে ঠিক কী ঘটেছিল, অফিসারদের গতিবিধি কেমন ছিল, কিংবা ওই সময় বহিরাগত কেউ সেখানে প্রবেশ করেছিলেন কি না এই সব খুঁটিনাটি তথ্যই জানতে চাইছেন তদন্তকারীরা। প্রতীকের প্রতিবেশীদের বয়ান রেকর্ড করে তল্লাশির দিন হওয়া বিতর্কের জট ছাড়াতে মরিয়া এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। নথিপত্র এবং বয়ান মিলিয়ে পুরো ঘটনার একটি স্বচ্ছ চিত্র পেতে চাইছেন তাঁরা।

READ MORE.....