Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

আইপ্যাক কাণ্ডে তল্লাশিতে কারা? পরিচয় জানতে ইডি-কে চিঠি পাঠাচ্ছে লালবাজার

আইপ্যাক কাণ্ডে তল্লাশিতে কারা? পরিচয় জানতে ইডি-কে চিঠি পাঠাচ্ছে লালবাজার

আইপ্যাকের অফিসে ইডি হানা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তজনা ছড়িয়েছে। আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং অফিস থেকে নথি চুরির অভিযোগে সরব হয়েছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অভিযোগের রেশ ধরে এবার অভিযুক্ত এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) আধিকারিকদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করল কলকাতা পুলিশ। ঘটনার দিন অভিযানে ঠিক কারা উপস্থিত ছিলেন, তা জানতে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার। সিআরপিএফ জওয়ানদের পরিচয় জানতেও যোগাযোগ করা হচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। তদন্তকারী সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার লাউডন স্ট্রিটে প্রতীকের বাড়িতে অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বেশ কয়েকজন সহকারী আধিকারিক।

 

তাঁদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা ও পরিচয় চেয়ে ইডি-কে ইমেল পাঠাচ্ছে পুলিশ। পাশাপাশি ওই দিন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ছয় জন সিআরপিএফ জওয়ানের নাম ও পরিচয় জানতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় দপ্তরেও চিঠি পাঠানো হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে শনিবারই প্রতীক জৈনের আবাসনে গিয়েছিলেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। সংগ্রহ করা হয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ ও ডিভিআর। পুলিশ জানতে পেরেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ২০ মিনিটে ইডি আধিকারিকরা প্রতীকের বাড়িতে ঢোকেন। অভিযান শেষ করে তাঁরা বেরোন দুপুর ২টো ৫০ মিনিটে।

 

এর মধ্যেই বেলা সোয়া ১১টা নাগাদ পুলিশ সেখানে পৌঁছায়। সেই সময় ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ কর্মীদের উর্দিতে লাগানো বডি ক্যামেরার ফুটেজও এখন বড় হাতিয়ার লালবাজারের কাছে। পুলিশ আসার আগের ও পরের ঘটনাক্রম মেলাতে ওই ফুটেজগুলি খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে বাড়ির পরিচারিকা, নিরাপত্তারক্ষী ও আবাসনের ফেসিলিটি ম্যানেজারের। ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে আবাসনের সিকিউরিটি রেজিস্টার। ইডি আধিকারিকরা সেখানে নাম নথিভুক্ত করেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রয়োজনে প্রতীক জৈন এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলতে পারেন তদন্তকারীরা।

 

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আইপ্যাকের দপ্তর থেকে তৃণমূলের নির্বাচন সংক্রান্ত গোপন নথি ও ইলেকট্রনিক তথ্য চুরি করা হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে শেক্সপিয়র সরণি ও বিধাননগর ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানায় মামলা রুজু হয়েছে। সেই তদন্তকে পূর্ণতা দিতেই এখন কেন্দ্রীয় সংস্থাকে চিঠির পর চিঠি দিচ্ছে পুলিশ। তদন্তের গতিপ্রকৃতি দেখে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, ইডির বিরুদ্ধে ওঠা চুরির অভিযোগ নিয়ে কোনোভাবেই ঢিলেমি দিতে চাইছে না রাজ্য প্রশাসন। সব মিলিয়ে ইডি বনাম লালবাজারের এই সংঘাত এখন কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

READ MORE.....