Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

আবাসনগুলিতে আর ভোটকেন্দ্র নয়, মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তিতে সিদ্ধান্ত বদলাল কমিশন

আবাসনগুলিতে আর ভোটকেন্দ্র নয়, মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তিতে সিদ্ধান্ত বদলাল কমিশন

অবশেষে পিছু হটতে বাধ্য হল নির্বাচন কমিশন । বহুতল আবাসন বা ফ্ল্যাট বাড়িগুলিতে ভোটকেন্দ্র বা বুথ তৈরির যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল, তা থেকে সরে এল কমিশন। রাজ্য সরকারের আপত্তি এবং সবথেকে জরুরি খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরাসরি হস্তক্ষেপেই এই সিদ্ধান্ত বদল বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণ বাসিন্দাদের আপত্তির সুরও ছিল যথেষ্ট জোরালো।

 

কমিশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, জেলাশাসকদের কাছ থেকে এ বিষয়ে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও মাত্র দু’টি জেলা থেকে সেই রিপোর্ট জমা পড়ে। জেলাশাসকরা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দল বা আবাসনগুলির তরফে এই প্রস্তাবে তেমন আগ্রহ দেখানো হয়নি। সেই কারণেই এই পরিকল্পনা আর কার্যকর করা হচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের পুরমন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম মন্তব্য করেন, এটি মুখ্যমন্ত্রীর চিঠির ফল।

 

তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে জোড়া চিঠি লিখে আবাসনে বুথ তৈরির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন। এর পাশাপাশি, আবাসনের বাসিন্দারাও নিজেদের ‘প্রাইভেসি’ এবং শান্তি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় আপত্তি জানিয়েছিলেন। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে বিভিন্ন আবাসন কর্তৃপক্ষকে নিয়ে একটি বৈঠক হয়। সেখানেও বিভিন্ন ভাষা, জাতি ও ধর্মের মানুষ যে সব আবাসনে থাকেন, সেখান থেকে এই আপত্তি উঠে এসেছিল।

 

এর মধ্যেই নির্বাচন সংক্রান্ত আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ খবর সামনে এসেছে। বুথ লেভেল অফিসার বা বিএলও-দের পারিশ্রমিক বাবদ রাজ্য অর্থ দফতর ৬১ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে। কমিশন নবান্নর কাছে মোট ৭০ কোটি টাকা চেয়েছিল। প্রথম দফায় ৬১ কোটি টাকা দেওয়া হল, বাকি টাকাও দ্রুত মিটিয়ে দেওয়া হবে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগে প্রথম দফায় বিএলও-রা মাথাপিছু ২০০০ টাকা করে পেয়েছিলেন। দ্বিতীয় দফায় তাঁরা ৩৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা পাবেন। বিএলও সুপারভাইজারদের মাথাপিছু দেওয়া হবে ৮০০০ টাকা।

 

অন্যদিকে, রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ চলছে। সেই কারণে খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়তে চলেছে মোট ৫৪ লক্ষ ৮৬ হাজার ৬৭২ জন ভোটারের নাম। এর মধ্যে ২৩ লক্ষ ৯৮ হাজার ৩৪৫ জন মৃত এবং ১ লক্ষ ৩২ হাজার ২১৫ জন ডুপ্লিকেট ভোটার। এছাড়াও প্রায় ১১ লক্ষ ভোটারের খোঁজ মিলছে না। কমিশন এদিন রাজ্যের বিভিন্ন যৌনপল্লি, বৃদ্ধাশ্রম, বিশেষভাবে সক্ষমদের হোম এবং বিধবা কেন্দ্রের বাসিন্দাদের কাছে ফর্ম পৌঁছে দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে। এটি বিশেষভাবে সক্ষম এবং সমাজের প্রান্তিক মানুষের ভোটদানে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে।

READ MORE.....