বুধবার সকালে, আশা কর্মীরা যখন তাঁদের বিভিন্ন দাবি জানাতে কোলকাতা স্বাস্থ্য ভবনের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন, ঠিক সেই সময়ে অন্ডাল মোড়ের কাছে তাদের পথ আটকায় পুলিশ। বাধা পেয়ে স্বাস্থ্য কর্মীরা ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের সার্ভিস রোড অবরোধ করেন। যদিও কড়া পদক্ষেপ নেই পুলিশ ও ট্রাফিক। স্বাস্থ্যকর্মীদের রাস্তা থেকে হটিয়ে যানজট মুক্ত করা হয় রাস্তা। সূত্রে জানা গেছে, আশা কর্মীদের কোনও অবস্থাতেই কলকাতায় যাতায়াত করতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাছ থেকে এই নির্দেশ এসেছে। ফলস্বরূপ, পুলিশ ভোর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে আশা কর্মীদের আটক করতে শুরু করে।
জানা গেছে, রাজ্যজুড়ে আশা কর্মীরা গত এক মাস ধরে বিক্ষোভ করে আসছেন, কখনও কাজ বন্ধ করে, কখনও বেতন বৃদ্ধি এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবিতে। তারা কখনও রাস্তা অবরোধ করেছেন, কখনও স্বাস্থ্যকেন্দ্র ঘেরাও করেছেন, কিন্তু অভিযান সত্ত্বেও কোনও সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়নি। বুধবার, রাজ্যজুড়ে আশা কর্মীরা স্বাস্থ্য ভবনে অভিযানের ডাক দেন। একইভাবে, বুধবার সকাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আশা কর্মীরা ট্রেন এবং বাসে কলকাতার স্বাস্থ্য ভবনে যাচ্ছিলেন, কিন্তু পুলিশ বিভিন্ন এলাকার আশা কর্মীদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। একইভাবে, বুধবার সকাল থেকেই খনি অঞ্চলের বিভিন্ন থানা থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল।
আশা কর্মীদের অভিযোগ, তাদের মধ্যে কয়েকজন ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তাদের বাধা দেওয়া হয়েছিল। আশা কর্মীরা জানিয়েছেন যে তারা নিয়ম মেনে টিকিট কেটে ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু পুলিশ তাদের বাধা দেয়। সব মিলিয়ে এদিন আশা কর্মীদের আন্দোলনে সরগরম খনি অঞ্চল। খনি অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গা থেকে আশা কর্মীদের আটক করেছে পুলিশ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আশা কর্মী জানান, আজকে তাদের স্বাস্থ্য ভবন যাওয়ার জন্য সরকারিভাবেই স্বাস্থ্য ভবন থেকে বলা হয়েছিল আর সেই উদ্দেশ্যেই তারা কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছিলেন কিন্তু হঠাৎ কেন মাঝপথে পুলিশ তাদের আটকায় এটাই ভাবাচ্ছে তাদের।













