Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই অভয়া কান্ডে গ্রেপ্তার পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ

মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই অভয়া কান্ডে গ্রেপ্তার পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারির পরে তিন দিন কাটতে না কাটতেই আর্যকর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার পরে তাঁকে পানিহাটি শ্মশানে তড়িঘড়ি পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। এই ঘটনায় নির্মল ঘোষ-সহ তিন জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। বৃহস্পতিবারই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআরের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ২০২৪ সালে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসক-পড়ুয়ার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর তাঁর দেহ দ্রুত সৎকার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সৎকার ঘিরে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতেই নতুন করে মামলা দায়ের হয়েছে। নির্মল ঘোষ ছাড়াও এফআইআরে নাম রয়েছে পানিহাটি পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা সোমনাথ দে এবং স্থানীয় তৃণমূল নেতা সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের।

 

 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত চিকিৎসকের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার খড়দহ থানায় এই মামলা দায়ের করা হয়। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কাছে অভিযোগ জানান তিনি। এরপরই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। মামলায় দেহ বেআইনিভাবে আটকে রাখা, তথ্যপ্রমাণ লোপাট বা মিথ্যা তথ্য দেওয়া এবং শ্মশানে অনধিকার প্রবেশ-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি করের ঘটে যায় এক ভয়ঙ্কর ঘটনা। এক চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। তারপর সঠিক বিচারের দাবিতে বিরাট আন্দোলন হয়। আর ঠিক তার ২ বছর পর, পানিহাটিতে দাঁড়িয়ে গত ৯ অগাস্ট শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘আমি তাঁর মায়ের একটি চিঠি পেয়েছি। তিনি নতুন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পুনর্তদন্তের জন্য বলেছেন।

 

কোর্ট মনিটরিংয়ে সিবিআই তদন্ত চলছে। তাই আমি ১৯৫২ সালের স্পেশাল কমিশন অ্যাক্টের আওতায় তাঁর চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে তদন্ত ঘোষণা করে গেলাম… এখানে নির্মল ঘোষ, সোমনাথ দে, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এই তিন জন এই কাণ্ড করেছেন। আমি ব্যারাকপুরের সিপিকে বলব, প্লিজ স্টার্ট নিউ কেস।’ প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৯ আগস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সেমিনার রুম থেকে ৩১ বছর বয়সি ওই চিকিৎসক-পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা দেশে ব্যাপক প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল। পরে সঞ্জয় রায়কে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

READ MORE.....