হামলায় অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম ৪৮। স্থানীয় প্রশাসনের তরফে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলতে থাকা এই যুদ্ধে এটা অন্যতম বৃহত্তম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। গত বেশ কয়েকদিন শান্ত ছিল কিয়েভ। কিন্তু বৃহস্পতিবার ফের নতুন করে আতঙ্ক ছড়াল সেখানে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদোমির জেলেনস্কি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘রাশিয়া আলোচনার টেবিল ছেড়ে ব্যালিস্টিক মিসাইলকেই বেছে নিল। আমি চাই বিশ্বের প্রতিটা দেশ এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানাবে। শান্তির আহ্বান করবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হল, অধিকাংশই নীরব রয়েছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ।
তারপর থেকে একাধিক উদ্যোগ সত্ত্বেও মুখোমুখি বসে যুদ্ধ থামানো নিয়ে আলোচনা করতে রাজি হননি দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। গত শুক্রবার আলাস্কায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ঘণ্টা তিনেকের আলোচনার পরেও রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে কোনও সমাধান মেলেনি। এই বৈঠকে পুতিন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যুদ্ধবিরতি করতে হলে দোনেৎস্ক অঞ্চল ছাড়তে হবে ইউক্রেনকে। যা দিতে অস্বীকার করে ইউক্রেন।













