পুজোর আগেই মিলবে পুজোর মাসের বেতন। কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীদের জন্য এমন খুশির খবর শোনালো কেন্দ্রের মোদি সরকার। চলতি মাসের অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের ২৯ তারিখ সপ্তমী। স্বাভাবিকভাবেই পুজো শুরু হয়ে গেলেও মাসের মাইনে হাতে পাবেন না ভেবে মাথার চুল ছিঁড়ছিলেন বহু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী। কারণ এবারের পুজোর দিনগুলি এমন পড়েছে যে মাসের একেবারে শেষ লগ্নে পুজো শুরু হয়ে অক্টোবরের প্রথম দু’দিন চলবে দুর্গা পূজো এবং দোসরা অক্টোবর আবার গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষে দেশের সর্বত্র ছুটি এবং ব্যাংক বন্ধ। তাই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হলো চলতি মাসের ২৬ তারিখের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারি সমস্ত কর্মচারী এবং পেনশনাররা পেয়ে যাবেন সেপ্টেম্বর মাসের বেতন।
সাধারণত, প্রত্যেক মাসের শেষ দিনে বেতন দেওয়া হয়। তবে এ বছর দুর্গাপুজোর ছুটির দীর্ঘ তালিকা এবং উৎসবের মরসুমের কথা মাথায় রেখেই এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মাসের শেষ দিন যদি শনি বা রবিবার পড়ে, তা হলে তার আগের কর্মদিবসেই বেতন মিটিয়ে দেওয়া হয়। এ বারের ক্ষেত্রেও সেই নিয়মই কার্যকর হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, দুর্গাপূজার প্রাক্কালে পশ্চিমবঙ্গের কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৫, শুক্রবারেই প্রদানের যে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সরকার গ্রহণ করেছে, তার জন্য ভারতবর্ষের যশস্বী প্রধানমন্ত্রী সম্মাননীয় শ্রী নরেন্দ্র মোদীজিকে আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।
বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব, প্রাণের উৎসব দুর্গাপূজার আগে এই উদ্যোগ শুধু বাংলার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য অর্থনৈতিক স্বস্তিই নয়, বাঙালি আবেগেরও এক অনন্য সম্মান। কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপ আবারও প্রমাণ করলো, ফলে দেশের বাঙালির সুখ-দুঃখে, আনন্দ-উৎসবে কেন্দ্রীয় সরকার আন্তরিকভাবে পাশে রয়েছে এবং বাংলার সংস্কৃতি ও অনুভূতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধাও নিবেদন করে।
অন্যদিকে, ডিসেম্বর ২০২৫-এর জন্য মহার্ঘ ভাতা বাড়ানোর ঘোষণাও আসতে পারে। বর্তমান ডিএ ৫৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫৮ শতাংশ হতে পারে, যা কর্মচারীদের বেতন এবং পেনশনভোগীদের পেনশন বৃদ্ধি করবে। এই দ্বৈত ঘোষণা শুধু কর্মীদের খুশিই বাড়াবে না, বাজারেও টাকার প্রবাহ বাড়িয়ে উৎসবের মরসুমকে আরও জমজমাট করে তুলবে। এতে অর্থনীতির গতিও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।















