রানাঘাট রামনগর পরিমল ভবনে আসলেন মিঠুন চক্রবর্তী সাংগঠনিক কর্মী সভায় আসেন। তিনি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন SIR নিয়ে অনেক অপপ্রচার হচ্ছে। যারা হিন্দু ভারতীয় মুসলিম আছেন তারা সবাই ভোট দিতে পারবেন।sir নিয়ে রাজ্য সরকার বিরোধীতা করছেন আভারতীয় দের জন্য । সনাতনী যারা আছেন তাদের বলবো একটু চুপচাপ থাকবেন সেই সঙ্গে সনাতনী দের বলছি এক গালে থাপ্পড় মারলে আর এক গাল এগিয়ে দেবেন না। রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন আপনি যে ব্যবহার করবেন সেই রকম ব্যবহার পাবেন।
তিনি কর্মীদের বলেন আপনারা whataspapp করুন 150 জন এক সাথে থাকবেন তারা হবে মিঠুন চক্রবর্তীর যোদ্ধা। মথুয়া দের আমরা নাগরিকত্ব দেবো, দেবো, দেবো। 2026 সালে নির্বাচন ওরা পশ্চিমবাংলা কে বাংলাদেশ করতে চাইছে। যারা ভারতীয় নাগরিক নয় তাদের জন্য ওরা লড়াই করছে। যদি কোনো সমস্যা হয় আপনাদের আমি লিগ্যাল এডভোকেট নাম্বার দিচ্ছি তার সাহায্য পাবেন। আগে জেলা সভাপতি কে ইনফ্রম করবেন। সেখানেও যদি কাজ না হয় আমাকে বলবেন আমি নাম্বার দিয়ে দিলাম।
জানবেন আমি কয়লা, বালির বিজনেস করতে পারবো না। আমার সংসার আছে, বাড়ী আছে শুটিং আছে সবকিছু সামলে আমি পশ্চিমবঙ্গে সময় দিচ্ছি। কোনো অসুবিধা হলে আমাকে শেষে জানাবেন। সেই সঙ্গে প্রথমে জেলা তারপর নেতৃত্ব দের জানাবেন আমাকে সব শেষে যদি কাজ না হয়। এই দিন কর্মীদের সুবিধা অসুবিধা কথা শুনলেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নদীয়া জেলা দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অপর্ণা নন্দী, বিধায়ক পার্থ সারথী চট্টোপাধ্যায়, আশীষ বিশ্বাস, বঙ্কিম ঘোষ সহ স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মী বৃন্দ।














