হিয়ারিংয়ের নামে অযথা সাধারণ মানুষকে নোটিশের অভিযোগ, রঘুনাথগঞ্জে বিএলও-দের গণ ইস্তফার ডাক বিডি অফিস চত্বরে অসুস্থ হয়ে লুটিয়ে পড়লেন বিএলও মোহাম্মদ সামাউন বিশ্বাস
এসআইআর সংক্রান্ত কাজের নামে সাধারণ মানুষকে অযথা হিয়ারিং নোটিশ পাঠানো হচ্ছে—এই অভিযোগ তুলে রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত সমস্ত বিএলও রঘুনাথগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের বিডিও অফিসে গণ ইস্তফার ডাক দেন।
বৃহস্পতিবার গণ ইস্তফা দিতে বিডিও অফিসে উপস্থিত হন প্রায় ২০০ জন বিএলও। এই কর্মসূচির মধ্যেই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। রঘুনাথগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের মিঠিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮৭ নম্বর বুথের বিএলও মোহাম্মদ সামাউন বিশ্বাস সাংবাদিকদের সামনে এসআইআর সংক্রান্ত কাজের বিভিন্ন অসুবিধার কথা তুলে ধরার সময় হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিডিও অফিস চত্বরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
বিএলও-দের অভিযোগ, অল্প সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত কাজের চাপ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তরফে এক ব্যক্তির নথি তিনবার পর্যন্ত আপলোড করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এমনকি নথি আপলোড সম্পন্ন হওয়ার পরও প্রায় প্রতিটি বুথে ৭ থেকে ১০ হাজার মানুষের কাছে হিয়ারিং নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ।
তাদের দাবি, এত অল্প সময়ে এই বিপুল পরিমাণ কাজ করা কার্যত অসম্ভব। পরিবার-পরিজন সামলে এই চাপ নেওয়া সম্ভব নয় বলেই তারা জানিয়েছেন। আগামী দিনে প্রায় মানুষের ভোটার অধিকার হারানোর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বি এল ও রা। কাজের অতিরিক্ত চাপের জেরেই সামাউন বিশ্বাস অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে দাবি বিএলও-দের। এই ঘটনার জন্য সরাসরি নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করেছেন আন্দোলনরত বিএলওরা। যদিও বিডিও বিক্ষোভের চাপে পড়ে নিজে বেরিয়ে এসে বিএলও দের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের আশ্বাস দেন আগামীকাল তাদের সঙ্গে ইআরও কে নিয়ে বৈঠকে বসবেন এবং তাদের সমস্যার কথা শুনবেন।













