Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে সিইও দপ্তর

কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে সিইও দপ্তর

রাজ্যে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ শুরু হতেই নজিরবিহীন নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দপ্তর। লাগাতার বিক্ষোভ ও উত্তেজনার জেরে এবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে নামছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শনিবার থেকেই কমিশনের কলকাতার দপ্তরে মোতায়েন করা হচ্ছে জওয়ানদের। খোদ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়ালের নিরাপত্তাও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এখন থেকে তিনি ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পাবেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।

ঘটনার সূত্রপাত কয়েক দিন আগে। ভোটার তালিকা সংক্রান্ত এসআইআর প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকেই কাজের বাড়তি চাপের প্রতিবাদে সরব হন বিএলও-রা। ‘বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটি’র সদস্যরা দফায় দফায় কমিশনের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন পরিস্থিতি চরমে পৌঁছয়। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে আন্দোলনকারীরা দপ্তরের ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করলে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় চত্বর। এই ঘটনার পরেই নির্বাচন কমিশনের তরফে নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই আবেদনে সাড়া দিয়েই এবার সিইও দপ্তরের দখল নিচ্ছে বাহিনী।

শনিবার সকালে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পদস্থ আধিকারিকরা কমিশনের বর্তমান দপ্তরে যান। তাঁরা পুরো এলাকাটি ঘুরে দেখেন এবং নিরাপত্তা খতিয়ে দেখেন। শুধু বর্তমান অফিসই নয়, খুব শীঘ্রই সিইও দপ্তরটি অন্য একটি ভবনে স্থানান্তরিত হওয়ার কথা রয়েছে। এদিন বাহিনীর আধিকারিকরা সেই প্রস্তাবিত নতুন দপ্তরটিও পরিদর্শন করেন। জানা গিয়েছে, সিইও দপ্তরে ওয়াই ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। এক সেকশন বাহিনীর এক একটি ছোট দল দৈনিক ভিত্তিতে বাইরের মূল পাহারার দায়িত্বে থাকবে। প্রতি দলে চার থেকে পাঁচ জন সশস্ত্র জওয়ান থাকবেন।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, কেবল মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়ালই নন, তাঁর দপ্তরের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্তাদের সুরক্ষাতেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিন থেকেই রাজ্যে শুরু হয়েছে ভোটার তালিকা নিয়ে শুনানিপর্ব। এই সংবেদনশীল সময়ে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয় এবং কর্মীরা নির্ভয়ে কাজ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। বিএলও-দের বিক্ষোভের জেরে কমিশনের দপ্তরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার যে অভিযোগ উঠেছিল, বাহিনীর আগমনে তাতে রাশ টানা সম্ভব হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

READ MORE.....