রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এবার সরাসরি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও রাজ্যপাল আরএন রবির সঙ্গে সাক্ষাৎ চাইছে কালীঘাট তৃণমূল। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই দুই সাংবিধানিক প্রধানকে চিঠি পাঠিয়ে সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে।গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় আসে বিজেপি। তারপর থেকে তৃণমূলের অভিযোগ, তাদের কর্মীদের হেনস্তা করা হচ্ছে, বাড়িঘর ভাঙচুর হচ্ছে।
যদিও বিজেপির বক্তব্য, দল না দেখে অন্যায়কারীর শাস্তি হবে। এর মধ্যেই সোনারপুরে এক নিহত কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়, হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে কাদা-জল ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। এসবের মধ্যেই বৃহস্পতিবার ভোরে ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে, নিরাপত্তারক্ষীদের মারধরও করা হয় বলে দাবি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সমাজমাধ্যমে জানান, ভোর সাড়ে চারটা নাগাদ অস্ত্রধারী দুষ্কৃতীরা দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে কর্মীদের মারধর করে, মোবাইল কেড়ে নেয় এবং আসবাব ও ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম ভাঙচুর করে। তাঁর অভিযোগ, বারবার ফোন করেও পুলিশের সাড়া মেলেনি।
ঘটনায় সন্দেহভাজন ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, যাদের সঙ্গে ভোটের আগে তৃণমূলের যোগ ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।ফেসবুক লাইভে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, বিজেপি-পাঠানো দুষ্কৃতীরা পার্টি অফিসে ঢুকে নথিপত্র লুট করেছে এবং চার কর্মীকে আটক রাখা হয়েছে। পুলিশ এখন সুরক্ষকের বদলে ভক্ষকের ভূমিকা নিচ্ছে বলেও তাঁর অভিযোগ। রাজ্যজুড়ে প্রায় চার হাজার তৃণমূল কার্যালয় দখলের অভিযোগও তোলেন তিনি এবং কর্মীদের প্রতিবাদের ডাক দেন। পাশাপাশি গেরুয়া কার্পেটের উপর জুতো পরে হাঁটার প্রসঙ্গ তুলে বিজেপিকে কটাক্ষ করেন তিনি।














