Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

গোপনে হাঙ্গর নিধন, নড়েচড়ে বসেছে বনদপ্তর

গোপনে হাঙ্গর নিধন, নড়েচড়ে বসেছে বনদপ্তর

সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রে গুরুতর হুমকি তৈরি করছে গোপন হাঙ্গর নিধন। মৎস্য দপ্তরের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও নামখানার নারায়নপুর মৎস্যবন্দরে ধরা পড়েছে ছোট ছোট হাঙ্গর মাছ নিধনের চাঞ্চল্যকর ঘটনা। এ ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কাকদ্বীপ-নামখানা উপকূলে।

মৎস্য দপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী হাঙ্গর ধরা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। প্রতিটি বন্দরেই নিষিদ্ধ প্রজাতির মাছের ছবি ও সতর্কীকরণ পোস্টার টাঙানো রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, কিছু অসাধু ট্রলার মালিক ও মৎস্যজীবী নিয়ম ভেঙে নির্দ্বিধায় ছোট হাঙ্গর শিকার করে বাজারে বিক্রি করছেন। বৃহস্পতিবার সকালে নামখানা বন্দরে দেখা যায়, ভুটভুটি নৌকায় করে ক্যারেটভর্তি ছোট হাঙ্গর নামানো হচ্ছে। ক্যামেরা দেখেই হাঙ্গর মাছ লুকানোর তৎপরতা শুরু হয়। প্রশ্ন উঠছে—এই কাজের সময় কোথায় ছিল মৎস্য ও বনদপ্তরের নজরদারি?

পরিবেশবিদদের মতে, এইভাবে চলতে থাকলে অচিরেই সমুদ্রের পরিবেশ ভারসাম্য ভেঙে পড়বে। বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্য সৌম্য কান্তি জানা বলেন, হাঙ্গর হল সামুদ্রিক শৃঙ্খলের মূল স্তম্ভ। এদের নিধন মানে সমুদ্রের পরিবেশ ধ্বংস।

ঘটনার পর বনদপ্তর রাত থেকেই তৎপর হয়। নামখানা বনরেঞ্জার পলয় রায় জানান, রাত থেকেই কাকদ্বীপ-নামখানা এলাকায় তল্লাশি ও মাইক প্রচার চলছে। নিয়ম ভাঙলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সতীনাথ পাত্র, বিজন মাইতি এবং স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী ঝন্টু দাসও প্রশাসনের কঠোর ভূমিকার দাবি জানিয়েছেন।
উপকূলজুড়ে এখন একটাই প্রশ্ন—এই চোরাশিকার বন্ধে কতটা কার্যকর হবে বনদপ্তরের পদক্ষেপ?

READ MORE.....