পশ্চিম মেদিনীপুরের জঙ্গলমহলে হাতির সংখ্যা সম্প্রতি বেড়ে গিয়েছে ছয়গুণ। শুধু হাতিই নয়, অন্যান্য বন্যপ্রাণীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। শনিবার এই খুশির সংবাদ জানালেন পশ্চিমচক্রের মুখ্য বনপাল (সিসিএফ) এস কুণাল ডাইভাল।
জঙ্গলমহলবাসীর মধ্যে বন্যপ্রাণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা পৌঁছে দিতে মেদিনীপুর বনবিভাগ শনিবার সকালেই একটি ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ সাইকেল র্যালির আয়োজন করে। র্যালিতে অংশ নেন মুখ্য বনপাল এস কুণাল ডাইভাল, জেলা শাসক বিজিন কৃষ্ণা, জেলা পুলিশ সুপার পলাশচন্দ্র ঢালি, বনদপ্তরের ডিএফও দীপক এম এবং অন্যান্য পদস্থ কর্মকর্তা ও পুলিশ আধিকারিকরা।
সাইকেল র্যালি মেদিনীপুর শহরের রাঙামাটির রূপনারায়ণ বন বিভাগ কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে গোপগড়, গুড়গুড়িপাল, চাঁদড়া ও কলসিভাঙা হয়ে শালবনীর পিড়াকাটা রেঞ্জ অফিসে শেষ হয়। মুখ্য বনপাল বলেন, পরিবেশ ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে এই র্যালি করা হয়েছে। আশার কথা হলো, জঙ্গলমহলবাসী এই বিষয়ে খুবই সচেতন। ২০০৫ সালে যেখানে হাতির সংখ্যা ছিল মাত্র ৪০, সেখানে এখন তা বেড়ে ২৪০-এ পৌঁছেছে। এছাড়া নেকড়ে, শিয়ালসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণীর সংখ্যা ও বেড়েছে।
তবে তিনি সতর্ক করেন, জঙ্গলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মতো বিপজ্জনক কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে বনদপ্তর খুবই চিন্তিত। এ ধরনের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মুখ্য বনপালের কথায়, পরিবেশ ও মানুষ উভয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
এটি প্রমাণ করে, স্থানীয় প্রশাসন ও বন দপ্তরের সমন্বিত প্রচেষ্টার কারণে জঙ্গলমহলে বন্যপ্রাণীর সংরক্ষণ কার্যক্রমে ইতিবাচক ফল এসেছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে।














