উত্তরবঙ্গের মডেলের অনুপ্রেরণায় ঝাড়গ্রামে তৈরি হতে চলেছে অত্যাধুনিক ‘বেঙ্গল সাফারি’। বহুদিন ধরেই এই প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছিল। অবশেষে ডিটেইল প্রজেক্ট রিপোর্ট (ডিপিআর) তৈরি করে রাজ্য ক্যাবিনেটে পাঠানো হয়েছে। এখন অপেক্ষা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবুজ সঙ্কেতের। অর্থ মঞ্জুর হলেই শুরু হবে বহুমূল্য প্রকল্পের কাজ—এ কথা জানিয়েছেন বন দপ্তর ও স্বনির্ভরগোষ্ঠী দপ্তরের মন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা।
মন্ত্রী জানান, ঝাড়গ্রাম মিনি জু-য়ের ঠিক উল্টো দিকের জমি চিহ্নিত করা হয়েছে সাফারির জন্য। বর্তমানে চলেছে প্রয়োজনীয় নথিপত্রের কাজ। তাঁর দাবি, এই সাফারি চালু হলে ঝাড়গ্রামের পর্যটন মানচিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। রূপনারায়ণ ডিভিশনের ডিএফও শিবানন্দ রাম আরও জানান, আগামী মার্চেই উত্তরবঙ্গ থেকে একটি বাঘ আনা হবে এবং প্রথমে তা থাকবে ঝাড়গ্রাম মিনি জু-তে। সাফারি পুরোপুরি চালু হলে বাঘ, হরিণ এবং অন্যান্য প্রাণীকে দেখা যাবে নির্দিষ্ট বনের মধ্যে।
বিশেষ সাফারি গাড়িতে পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন পর্যটকেরা; যা উত্তরবঙ্গের বেঙ্গল সাফারির মতোই উত্তেজনাপূর্ণ অভিজ্ঞতা দেবে। প্রকল্পটির কাজ দেখভাল করবে পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদ। শনিবার দুর্গাপুরের এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বন দপ্তরের পশ্চিমাঞ্চলের চিফ কনজ়ারভাটর এস কুনাল ডাইভাল এবং দুর্গাপুর পুরসভার চেয়ারপার্সন অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায়।
ঝাড়গ্রামের পর্যটনকে নতুন দিশা দেখাতে এই প্রকল্প যে বড় ভূমিকা নেবে, তা নিয়ে আশাবাদী প্রশাসন ও স্থানীয় মহল।













