ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী টাকিতে ইছামতীর বুকে দুর্গা প্রতিমা নিরঞ্জনের উৎসব অনুষ্ঠিত হলো, যেখানে অংশ নিয়েছিলেন দুই দেশের মানুষ। দুই বাংলার মানুষদের মিলন উৎসবে সারাটি এলাকা ছিল ভিড়ে ঠাসা। নদীর মাঝখানে নৌকায় ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছিল যাতে কেউ সীমা লঙ্ঘন না করতে পারে। সকাল থেকে বিএসএফ ও বিজিবির স্পিডবোট সীমান্তের প্রতি দিক থেকে টহল দিচ্ছিল।
টাকি পুওরসভার পক্ষ থেকে দুই বাংলার মিলন উৎসবের প্রাচীন ঐতিহ্য পুনরায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়েছে। স্থানীয় হোটেল এবং অতিথি নিবাস পর্যটক ও দর্শক দিয়ে ভরপুর ছিল। ইছামতী নদীতে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী, বসিরহাট মহকুমাশাসক আশিস কুমার, জেলা পুলিশ সুপার হোসেন মেহেদি রহমান, বসিরহাট দক্ষিণের বিধায়ক সপ্তর্ষি বন্দ্যোপাধ্যায়, পৌরপ্রধান সোমনাথ মুখোপাধ্যায় এবং উপ-পৌরপ্রধান ফারুক গাজ।
শুক্রবারও নদীতে নৌকায় প্রতিমা তোলা হয় এবং বিজয়ার উৎসব উদযাপিত হয়। হিঙ্গলগঞ্জ ও হাড়োয়াতেও নদীর মাঝে প্রতিমা নিয়ে বিজয়ার আনন্দ উদযাপন করা হয়। উৎসবে মানুষদের আনন্দ, হর্ষধ্বনি ও ঐতিহ্যের ছোঁয়া পুরো পরিবেশকে প্রাণবন্ত করে তুলেছিল।
দুই বাংলার মানুষরা আবারও প্রমাণ করল, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মিলনেই সত্যিকারের আনন্দ।













