Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

ঠাকুরনগরের মুষলপর্বে ঢুকতে নারাজ বিজেপি!

ঠাকুরনগরের মুষলপর্বে ঢুকতে নারাজ বিজেপি!

ভাই কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে জোর লড়াই বেধেছে বিধায়ক দাদা সুব্রত ঠাকুরের। এমন মুষলপর্বে বনগাঁর ঠাকুরনগরের মতুয়াবাড়ির অভ্যন্তরীণ কলহে প্রবেশ করতে নারাজ রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। ঘটনার সূত্রপাত শনিবার। ওই দিন শান্তনুর অনুগামীরা নাটমন্দিরে বিশেষ শিবিরের আয়োজন করায় তা নিয়ে আপত্তি তোলেন সুব্রত। পাল্টা শান্তনুর অনুগামীরা অভিযোগ করেন, সেখানে গিয়ে মতুয়া ভক্তদের হুমকি দিয়েছেন গাইঘাটার বিজেপি বিধায়ক। আবার সুব্রত দাবি করেন, নাটমন্দিরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয়। সেখানে শিবির করলে অসুবিধা হতে পারে। তাই তিনি আপত্তি করেছিলেন।

 

কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনুর বিরুদ্ধেও ঠাকুরবাড়ির ক্ষমতা কুক্ষিগত করার অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি বিধায়ক দাদা। জবাবে মন্ত্রী হতে দাদা সুব্রত তৃণমূলে যোগদান করবেন বলে আক্রমণ করেছেন শান্তনু। এই ঘটনায় স্পষ্ট বিভাজন ধরা পড়েছে মতুয়া ঠাকুরবাড়িতে। দুই ভাইয়ের এই দ্বন্দ্বে বড় ছেলে সুব্রতের পাশে দাঁড়িয়েছেন মা ছবিরানি ঠাকুর এবং তৃণমূল সাংসদ তথা ঠাকুর পরিবারের আর এক সদস্যা তথা তৃণমূল সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর ও তাঁর বিধায়ক কন্যা মধুপর্ণা ঠাকুর। এমন বিভাজনের কথা জানতে পেরে দিল্লি থেকে ভিডিয়োবার্তা প্রকাশ করে ছোট ছেলে শান্তনুর পাশে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রধান সেবায়েত মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুর।

 

তিনি বড় ছেলে সুব্রতের আচরণের নিন্দা করে ছোট ছেলে শান্তনুকে সমর্থন করেছেন। এমন পারিবারিক বিভাজনকে প্রত্যক্ষ করে আপাতত নীরব থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির একটি সূত্র জানাচ্ছে, এ বিষয়ে দলের রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের মৌন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। এ বিষয়ে তাঁরাও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করবেন না বলেই জানা গিয়েছে।

READ MORE.....