Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

তৃণমূলকে যে ধ্বংস করবে সেই আমার বন্ধু, অর্জুন সিং

তৃণমূলকে যে ধ্বংস করবে সেই আমার বন্ধু, অর্জুন সিং

তৃণমূলকে যে শেষ করবে, তাতে আমার কোনও আপত্তি নেই। তৃণমূলকে যে ধ্বংস করবে সেই আমার বন্ধু, সেখানে পার্থ আবার কে!’ ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে পার্থ ভৌমিকের সঙ্গে দীর্ঘদিনের শত্রুতা ভুলে এভাবেই নতুন করে বন্ধুত্বের বার্তা দিলেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং। রবিবার তিনি বলেন, ‘যারা তৃণমূলের ক্ষতি করবে, তাদের নিয়ে আমার কোনও সমস্যা নেই। আমার সমস্যা শুধু তাদের নিয়ে, যারা এখনও তৃণমূলে আছে’।

 

তৃণমূল নেতা পার্থ ভৌমিকের রাজনৈতিক অবস্থান বদলের জল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অর্জুন সিং অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘পার্থ ভৌমিক বিজেপিতে নয়, ও বিক্ষুব্ধ দলে যাচ্ছে। আর এই বিক্ষুব্ধ দলটাই তৃণমূলকে ধীরে ধীরে ভেতর থেকে শেষ করছে’। শুধু তাই নয়, কামাল হাতির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দাদের তল্লাশি এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একের পর এক সিআইডি তদন্তের প্রেক্ষিতে বিষ্ফোরক মেজাজে অর্জুন সিং বলেন, ‘আমি যদি আজ ইডি-র দায়িত্বে থাকতাম, তবে অনেকদিন আগেই ওকে গ্রেফতার করে জেলে পুরতাম’। এখানেই থামেননি অর্জুন।

 

তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের বর্তমান আইনি সংকট ও বারবার ভবানী ভবন-সিজিও দৌড়াদৌড়ি নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য এই মুহূর্তে একটাই কথা একদম পারফেক্ট খাটে, সেটা হল— ‘দেখ কেমন লাগে!’ অন্যদিকে রাজ্যের পরিবহন দপ্তরের দায়িত্ব নেওয়ার পরেই সেখানেও ডায়মন্ড হারবার মডেলে বিপুল অংকের দুর্নীতি হয়েছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন মন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, ডায়মন্ড হারবারে ২০ লক্ষ টাকার জেটি তৈরি করা হচ্ছে, অথচ বিল করা হচ্ছে দেড় কোটি টাকার। সোজা কথায় জেটি কেলেঙ্কারিতে এবার বিগত সরকারের দিকেই আঙুল তুলছেন অর্জুন সিং। অর্জুনের সাফ কথা, ‘যে জেটি বানাতে ২০ লাখ লাগছে সেখানে দেড় কোটির বিল দেওয়া হয়েছে।

 

সেই জেটি আবার ভেঙেও গিয়েছে’। ইতিমধ্যেই এ ঘটনায় অবিলম্বে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছেন পরিবহন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি এফআইআর করতে নির্দেশ দিয়েছি। বেশিরভাগ যাঁরা জেটির কাজ করে সব ডায়মন্ড হারবারের। ওরাই গোটা বাংলায় জেটি বানাচ্ছে’। প্রাক্তন পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তীর দাবি, ‘১৫ বছরের সরকারে আমি সাড়ে তিন বছর মন্ত্রী ছিলাম। আমার সময়ে যে কাজকর্ম হয়েছে তা প্রকৃত টেন্ডার ডেকে, নিয়মের মধ্যে করতে বলা হয়েছিল। কোথাও যাতে অনিয়ম না হয় তাও দেখতে বলা হয়েছিল। এখন অভিযোগ মানেই সত্যতা আছে কি নেই এখন তো বলা যাবে না। সেটা তদন্ত সাপেক্ষ। ওনারা চাইলে দেখতে পারেন। আমার পক্ষে যেটুকু সহযোগিতা করার আমি নিশ্চয় করব’।

READ MORE.....