উত্তর ২৪ পরগণার বসিরহাট মহকুমার ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ইছামতীতে দুর্গাপুজোর বিসর্জন নিয়ে দু’দেশের সীমান্তরক্ষী ও প্রশাসনিক কর্তাদের নিয়ে টাকির ইছামতী নদী বক্ষে হল বৈঠক। এই বছরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কোন প্রভাব যাতে উৎসবে না পড়ে সেই জন্য দুই দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হবে। বিসর্জনের উৎসব চলাকালীন স্পীডবোড নিয়ে টহল দেবে বিএসএফ এবং বিজিবি। এই দিন বৈঠকে আরো ঠিক হয়, ইছামতীর মাঝ বরাবর সীমারেখা টানা থাকবে, এপারে বিএসএফ ও ওপারে বিবিজি পাহারায় থাকবে।
পুরপ্রধান সোমনাথ মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘ওপারে বাংলাদেশের নৌকা, এপারে ভারতের নৌকা থাকবে। কোন দেশের নৌকা সীমানার পার হতে পারবে না। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ইছামতীতে নিরাঞ্জন চলবে। ড্রোন উড়িয়ে বাইনোকুলারের সঙ্গে সিসি ক্যামেরায় নজরদারি চালাবে বিএসএফ।’
এ দিন বৈঠকে বিএসএফ ও বিবিজি সহ ছিলেন টাকী পুরসভার পুরপ্রধান সোমনাথ মুখোপাধ্যায়, উপ পুরপ্রধান ফারুক গাজী এবং প্রশাসনিক কর্তারা। দুর্গাপূজোয় ভাসানে যাতে কোনরকম অশান্তি ঘটনা না ঘটে তার জন্য টাকি বিভিন্ন জায়গায় সাদা পোশাকে পুলিশের টহল থাকবে। পাশাপাশি নদী পথেও চলবে টহলদারি। এক কথায় বলা যায়, ইচ্ছামতী নদীর ভানসানকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা থাকবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। নৌকা ভ্রমণের বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে প্রশাসন এবং পৌরসভার পক্ষ থেকে।













