প্রসঙ্গতঃ গত ১০ অক্টোবর শুক্রবার রাতে দুর্গাপুরের বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠে। রাত ৮টা নাগাদ এক সহপাঠীর সঙ্গে খাবার কিনতে ক্যাম্পাসের বাইরে বেরিয়েছিলেন উড়িষ্যার জলেশ্বরের বাসিন্দা ঐ ডাক্তারি পড়ুয়া। তখন ঐ ডাক্তারি পড়ুয়াকে গণধর্ষণ করা হয় বলে জানা গেছে। অভিযোগ, কলেজ থেকে মাত্র ১ কিলোমিটার দূরে পরাণগঞ্জের জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে তাকে গণধর্ষণ করা হয়। দিন যত গড়িয়েছে ঘটনার মোড় অন্যদিকে ঘুরেছে, এই ঘটনায় তৎপর আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারের পুলিশ মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেপ্তার করা হয়েছে ডাক্তারি পড়ুয়ার সহপাঠী বন্ধুকেও। ঘটনা ঘিরে শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতর। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ময়দানে নামে বিজেপি, সিপিআইএম ও এসইউসিআই। ঘটনায় নির্যাতিতার ন্যায় বিচারের দাবিতে বিজেপির তরফে শুরু হয় ধর্ণা মঞ্চ। ধর্ণা মঞ্চ উদ্বোধনে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি রাজ্যের রাজ্যপালও দুর্গাপুরে আসেন নির্যাতিতা ও তার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। বৃহস্পতিবার দুর্গাপুরের অপরাজিতার ন্যায়বিচারের দাবিতে যে ধর্ণা মঞ্চ বিজেপি শুরু করেছিল সেই ধর্না মঞ্চে এলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। এই ধর্ণা মঞ্চ থেকে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন রাহুল।
তিনি বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেখানে মহিলা সেখানেই মহিলাদের নিরাপত্তা নেই। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় কে কটাক্ষ করে বলেন, এখন মুখ্যমন্ত্রী মহিলাদের রাত্রে বেরোতে নিষেধ করছেন, জানিনা কিছুদিন পর হয়তো তিনি দিনেও মহিলাদের বাইরে বের হতে নিষেধ করবেন। রাহুল বলেন, রাজ্য সরকার ধর্ষণকারীদের মদত করছেন। পুলিশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশকে সঠিকভাবে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশকে সঠিকভাবে কাজ করতে দিলে রাজ্য সন্ত্রাসমুক্ত হবে এবং এক মাসের মধ্যেই ধর্ষণকারীরা উপযুক্ত শাস্তি পাবে।













