নাবালিকাকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও দশ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দিলেন তমলুকের পকসো আদালতের বিচারপতি। অভিযোগ, চন্ডিপুর থানা এলাকার এক নাবালিকাকে অপহরণ করে ধর্ষণ করে তার সৎ মামা। তার সঙ্গে যুক্ত ছিল আরো দুজন অভিযুক্তর সহযোগী। ২০২০ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি নাবালিকার ঠাকুমা চন্ডিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তদন্তে নেমে নাবালিকার সৎ মামা শেখ মুরসেলিম সহ তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে এবং দ্রুত চার্জসিট জমা দেয় পুলিশ। সেই মামলা তমলুকের পকসো আদালতে চলছিল।
বিভিন্ন সাক্ষী গ্রহণের পর বিচারক দুই অভিযুক্তকে প্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস দেন। গতকাল মঙ্গলবার রায় ঘোষনায় সৎ মামাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও দশ হাজার টাকা জরিমান দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারক। জরিমানা অনাদায় অতিরিক্ত কারাবাসের নির্দেশ দেন। এই রায় এই বিচারে প্রার্থীরা খুশি বলে জানা গেছে।
অপরদিকে ছাত্রীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার হল তমলুকের ডহরপুর তপশিলি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক দেবদুলাল দাস। অভিযোগ, ওই বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের সঙ্গে অশালিন আচরণ করার অভিযোগ দায়ের হয় তমলুক থানায়। পুলিশ তদন্তে নেমে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবদুলাল দাস কে গ্রেফতার করে। ধৃতকে মঙ্গলবার তমলুক আদালতে হাজির করা হলে বিচারক শিক্ষকের দু’দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্কুল পড়ুয়া এবং অভিভাবকদের দাবি, ওই শিক্ষকের কঠোর শাস্তির।













