পশ্চিমবঙ্গে এখনো ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় নি। কিন্তু তার আগেই রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংঘাত প্রকাশ্যে এসে দাঁড়ালো। জাতীয় নির্বাচন কমিশন রাজ্যের মুখ্য সচিব মনোজ পন্থকে দুবার চিঠি পাঠিয়ে চারজন নির্বাচনে কাজে যুক্ত অফিসারকে সাসপেন্ড এবং তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দেন। এছাড়া আরও একজন ক্যাজুয়াল ডাটা এন্ট্রি অফিসারের বিরুদ্ধেও একই পদক্ষেপ গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। দ্বিতীয় চিঠি দেওয়ার পর কমিশন সোমবার বিকেল তিনটে পর্যন্ত মুখ্য সচিব কে সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। এরপর রাজ্যের মুখ্য সচিব সোমবার সন্ধ্যায় কমিশনকে চিঠি পাঠিয়ে জানায় একজন সহকারি ইলেক্টোরাল অফিসার এবং ডেটা এন্ট্রি কর্মীকে নির্বাচনের কাছ থেকে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বাকিদের নিয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলছে। ওই তদন্তে রিপোর্টে এলেই পদক্ষেপ করবে রাজ্য সরকার।
মুখ্য সচিবের এই চিঠির জবাবে সন্তুষ্ট হতে পারিনি কমিশন। দাদা আগেই জানিয়েছিল সংবিধানের ৩২৬ ধারা অনুযায়ী মুখ্য সচিবের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে পারবে। এরপরে মঙ্গলবার দুপুরে মুখ্য সচিব কে সশরীরে বিকেল পাঁচটার মধ্যে নির্বাচন দপ্তরে হাজী হতে বলেছে। গোটা বিষয়টিকে জাতীয় নির্বাচন কমিশন বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
কমিশন সূত্রে খবর দক্ষিণ 24 পরগনা এবং পূর্ব মেদনীপুরের দুইজন ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার এবং দুইজন সহকারি ইলেক্ট্রাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণসহ তাদের হাতে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া একজন ক্যাজুয়াল ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের নাম রয়েছে। কমিশনের বক্তব্য আমরা তথ্য প্রমাণ পেয়ে তারপরেই মুখ্য সচিব কে পদক্ষেপ করা নির্দেশ দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি তা করেননি। তাই তাকে দেখে পাঠানো হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে যদি তিনি না আসেন সে ক্ষেত্রে আরো বড় পদক্ষেপ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।













